kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

স্বাগতিক হয়েও লাভ হচ্ছে না

১৮ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



স্বাগতিক হয়েও লাভ হচ্ছে না

দেশে আর্চারির সবচেয়ে বড় আসর এশিয়ান আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হচ্ছে আগামী ২৫ নভেম্বর থেকে। এর আগে এশিয়ান গ্রাঁপ্রিসহ একাধিক আন্তর্জাতিক আর্চারিতে সোনা জেতা রোমান সানা এই আসরে স্বাগতিকদের প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দুতে।

কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে দেশসেরা এ আর্চার জানিয়েছেন এই টুর্নামেন্ট নিয়ে নিজের প্রস্তুতি ও প্রত্যাশার কথা

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো হতে যাচ্ছে এশিয়ান আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপ, দেশের মাটিতে এত বড় আসরে খেলা নিয়ে নিশ্চয় বেশ রোমাঞ্চিত?

রোমান সানা : হ্যাঁ, রোমাঞ্চিত হওয়ার মতোই আসর এটি। বাংলাদেশে এর আগে আর্চারির এত বড় আসর আর হয়নি। এশিয়ান আর্চারি গুরুত্বে, কলেবরে সব দিক দিয়েই অনেক বড় আসর। আমাদের এখানে এবার ৩১-৩২টি দেশের অংশ নেওয়ার কথা। অংশগ্রহণের দিক দিয়ে সেটি হবে রেকর্ড। আর বিশ্ব আর্চারিতে তো এশিয়ারই দাপট। সেই হিসাবে এ আসরে অলিম্পিক পদকজয়ীরা অংশ নেবেন। আমাদের জন্য খুবই কঠিন একটা আসর। ভাগ্য খুব ভালো হলেই শুধু কিছু সম্ভব।

প্রশ্ন : এই মুহূর্তে আপনিই দেশসেরা, তো এশিয়া সেরা হওয়ার এই আসরে আপনার লক্ষ্যটা কী থাকবে?

রোমান : ২০১৫ সালে থাইল্যান্ডে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে আমি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিলাম। এটিই এখনো পর্যন্ত আমাদের সেরা সাফল্য। এবার অন্তত কোয়ার্টার ফাইনাল পেরিয়ে সেমিফাইনালে খেলতে চাই। সে ক্ষেত্রে একটা পদক জয়েরও সম্ভাবনা থাকবে।

প্রশ্ন : এর আগে আপনি এশিয়ান গ্রাঁপ্রিসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক আসরে সাফল্য পেয়েছেন, এগুলো নিশ্চয় এই আসরে আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে?

রোমান : তা তো অবশ্যই। ঢাকায় সর্বশেষ সলিডারিটি আর্চারিতেও মিশ্র ও দলগততে সাফল্য পেলাম। কিন্তু ব্যক্তিগত ইভেন্টে এমন ভুল হয়েছিল যেটি আসলে হওয়ার কথা নয়। আশা থাকবে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে আমি আমার নিজের সেরাটাই দিতে পারব। সবাই আমার দিকেই তাকিয়ে আছে সেটা আমি জানি, চাইব সেই প্রত্যাশা যেন মেটাতে পারি।

প্রশ্ন : প্রস্তুতি নিয়ে কতটা সন্তুষ্ট?

রোমান : এই টুর্নামেন্ট সামনে রেখেই আমরা দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি নিয়েছি, ৯ মাস ধরে আমরা ক্যাম্পে। তাই প্রস্তুতির ঘাটতি নেই। তবে হ্যাঁ, যেখানে খেলা হবে সেই বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামেই আমরা আগে কখনো খেলিনি। গাজীপুরে আমরা যে মাঠে অনুশীলন করি, এখানে বাতাস এক দিক দিয়ে এসে আরেক দিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। কিন্তু স্টেডিয়ামটা তো চারদিক দিয়ে ঢাকা, সেখানে বাতাস ঘুরবে। আমরা ফেডারেশন কর্মকর্তাদের বারবার বলেছি টুর্নামেন্টের আগে কিছুদিন অন্তত যেন ওখানে অনুশীলন করতে পারি। কিন্তু তাঁরা সে ব্যবস্থা করতে পারেননি। এখন দলগুলো আসার পর তারা যে এক দিন ওখানে অনুশীলন করবে আমাদেরও সেই দিনই অনুশীলন করতে হবে। স্বাগতিক হয়েও স্বাগতিক সুবিধাটা আমরা পাচ্ছি না।


মন্তব্য