kalerkantho


আফুসির কাছে টাকা পাওনা শেখ জামালের

১৭ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



আফুসির কাছে টাকা পাওনা শেখ জামালের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : যোশেফ আফুসির ‘রাতের আঁধারে পালিয়ে যাওয়ায়’ ভীষণ ক্ষুব্ধ শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব কর্মকর্তারা। এই কোচের চলে যাওয়া এবং পরবর্তী কার্যক্রম জানাতেই কাল তাঁরা মুখোমুখি হয়েছেন সংবাদমাধ্যমের।

সংবাদ সম্মেলনে ক্লাবের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান মনজুর কাদের খুব বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, ‘আমি নিজেও জানি না, আফুসি চলে গেছে। কোনো কোচ এভাবে রাতের আঁধারে পালিয়ে যাবে, এটা তো হতে পারে না। এএফসির টুর্নামেন্টে তাঁকে কোচ রাখার কারণে তাঁকে জরিমানা করা হয়েছিল। কারণ তাঁর লাইসেন্স ছিল দু-নম্বরি, সেই জরিমানার টাকা আমরা দিয়েছি। তিনি যে এমন আচরণ করবেন, সেটা আমরা ভাবতেও পারিনি। ’ আসলে তাঁর খুব পছন্দের ছিল এই নাইজেরিয়ান কোচ। ভালো ট্রেনার হিসেবে তাঁকে স্বীকৃতিও দেন। কিন্তু কোচের ‘বুড়ো খেলোয়াড়’ খেলানোর বিষয়ে আপত্তি করতেন চেয়ারম্যান। গত ১৪ নভেম্বর মোহামেডানের ম্যাচের দিন ভোরে কাউকে না জানিয়ে মোবাইল বন্ধ করে কোচ লন্ডনের বিমান ধরেছেন।

এতে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ এই সংগঠক, ‘এটা তো কোনো নিয়ম হতে পারে না। একটা লিগ চলছে। এ সময়ে ক্লাবের সঙ্গে কথা বলেই কোচ পদত্যাগ করে চলে যেতে পারতেন। আসলে অন্য কোথাও তাঁর চাকরি হয়েছে বলে তিনি পালিয়ে গেছেন। কিন্তু ৪০ হাজার পাউন্ড অগ্রিম দেওয়া হয়েছিল আফুসিকে। তাঁর বেতন থেকে মাসে মাসে সাড়ে তিন হাজার ডলার করে কেটে রাখা হতো, সেভাবে সাত মাস কাজ করেছে। তাঁর কাছে অনেক টাকা পাব। স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে জিডি করা হয়েছে। এসব ব্যাপার আমরা বাফুফে ও ফিফাকে জানাব। তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পথে যাব। ’

পুরনো কোচ যাওয়ার পরপরই তারা চূড়ান্ত করে ফেলেছে নতুন কোচ মাহবুব হোসেন রক্সিকে। অনুর্ধ্ব-১৮ দল নিয়ে সাফ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দল নিয়ে সদ্য এএফসির টুর্নামেন্ট খেলে আসা কোচের পারফরম্যান্স তাদের ভালো লেগেছে। তাঁকে নেওয়ার ব্যাপারে বাফুফের ছাড়পত্র পেয়ে গেছে তারা, গতকাল থেকেই শেখ জামালের কোচ রক্সি। আগে কখনো বড় ক্লাবের দায়িত্ব পালন না করলেও তিনি এই দায়িত্বটাকে নিয়েছেন চ্যালেঞ্জ হিসেবে, ‘আমি এএফসি এ লাইসেন্সধারী কোচ। ১২ বছর কাজ করছি কোচ হিসেবে। অনেক দিন পর দুটি অ্যাসাইনমেন্টে ভালো কাজ করেছি অনূর্ধ্ব-১৯ দল নিয়ে। সেই সুযোগ দেওয়ার সালাউদ্দিন ভাইকে ধন্যবাদ। ঐ পারফরম্যান্সের কারণেই আবার কাদের ভাই আমাকে নতুন চ্যালেঞ্জ তুলে দিয়েছেন হাতে। ক্লাব ফুটবল ভিন্ন জায়গা, এখানে কাজ করার অনেক সুযোগ আছে, সময় পাওয়া যায়। ’ শেখ জামাল হকিতেও আসার পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু ক্লাবের মাঠ নিয়ে পরিবেশবাদীদের মামলার কারণে কাজ এগিয়ে নিতে পারছেন না বলে হতাশা প্রকাশ করেছেন মনজুর কাদের।


মন্তব্য