kalerkantho


সুসময়ে প্রত্যাবর্তন চেলসির

২২ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০



সুসময়ে প্রত্যাবর্তন চেলসির

অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের মাঠে শেষ সময়ের গোলে জিতেই বোধ হয় সৌভাগ্যের কড়িটা খরচ করে ফেলেছিল চেলসি। নইলে পরের ম্যাচগুলোয় এমন বেহাল দশা কেন? নিজমাঠে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারটা তবু মেনে নেওয়া যায়, তাই বলে ক্রিস্টাল প্যালেস! গোটা লিগে এখন পর্যন্ত আট ম্যাচে একটাই জয় তাদের, চেলসির বিপক্ষে।

১৮ গোল হজমের বিপরীতে দুইবার বল পাঠিয়েছে প্রতিপক্ষের জালে, সেটাও চেলসির বিপক্ষেই! এখানেই শেষ নয় আন্তনিও কন্তের দলের মন্দভাগ্য। চ্যাম্পিয়নস লিগেও স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ৩-৩ গোলে ড্র করে গেছে রোমা। এরপর নিজের মাঠে ওয়াটফোর্ডের কাছেও যখন তারা ২-১ গোলে পিছিয়ে পড়ে, তখন তো মেনে নিতেই হয় মন্দভাগ্য। এখান থেকেই রাহু কাটানো শুরু চেলসির। মিচি বাতশুয়েইয়ের জোড়া গোলের সঙ্গে চেজার আসপিলিকুয়েতার গোল উদ্ধার করেছে চেলসিকে, শেষ পর্যন্ত জিতিয়েছে ৪-২ গোলে। এই জয়েই লম্বা সময় পর হাসিমুখে মাঠ ছাড়ল ‘ব্লু’রা।

অথচ শুরুতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের পায়েই রেখেছিল চেলসি। ম্যাচের ১২ মিনিটেই ২৫ গজ দূর থেকে করা পেদ্রোর গোলে লিড নিয়েছিল ‘ব্লু’রাই। ছন্দপতন বিরতির আগে ও পরের সময়টায়।

প্রথমার্ধের শেষ সময়ে ডকুরে ও বরিতির পর ৪৯ মিনিটে পেরেইরার গোলে স্কোরলাইন ২-১ করে ফেলে ওয়াটফোর্ড। তাতে করে আরো একটা হারের শঙ্কা চেপে ধরে কন্তেকে। ৭১ মিনিটে বাথশুয়েইর সমতা ফেরানো গোলটা তাই ছিল কন্তের জন্য আশীর্বাদের মতো। ৮৭ মিনিটে আসপিলিকুয়েতার গোল ৩-২ গোলে এগিয়ে দেয় চেলসিকে, তবে আরেকটি গোলের চাপ ধরে রেখেছিল ওয়াটফোর্ড। রিচার্লিসন দুটি সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট না করলে হয়তো এগিয়েই যেত ‘বোলতা’রা (ওয়াটফোর্ডের মাস্কট হ্যারি দ্য হর্নেট বা একটি বোলতা!)। স্বস্তির সুবাতাস এনে দেন সেই বাথশুয়েই, ইনজুরি সময়ে নিজের দ্বিতীয় ও ম্যাচের ৬ নম্বর গোলটি করে। তাঁর গোলের সময় কন্তের উল্লাসেই বোঝা যায়, জয় কতটা কাঙ্ক্ষিত ছিল এই ইতালিয়ানের কাছে। জয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চারে উঠে এলো চেলসি। বিবিসি


মন্তব্য