kalerkantho


পুরনো সঙ্গীদের নিয়েই নাজমুল

২১ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০



পুরনো সঙ্গীদের নিয়েই নাজমুল

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বিশেষ করে রাজনৈতিক কার্যক্রমের পর বিরিয়ানির প্যাকেট বিতরণ নিয়ে হুড়োহুড়ির দৃশ্য খুবই চেনা বাংলাদেশে। গতকাল বৃষ্টিমুখর ছুটির দিনের দুপুরেও সেই দৃশ্যের মঞ্চায়ন মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বলেই সেটি পথচলতি যে কাউকেই কৌতূহলী করে তোলার পক্ষে যথেষ্ট ছিল।

কোনো খেলা নেই, এমনকি জাতীয় দলও দেশে নেই যে তারকা ক্রিকেটারদের দেখার জন্য উত্সুক জনতা হুমড়ি খেয়ে পড়তে পারে। অথচ সেখানে কিনা হাজারখানেক তরুণের ভিড়। এর কারণ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান সদলবলে কার্যালয়ে গিয়েছিলেন ৩১ অক্টোবরের নির্বাচনের মনোনয়নপত্র কিনতে। কোথা থেকে এসে হাজির হওয়া ওই তরুণরা নির্বাচনী উত্তাপই ছড়ালেন যেন!

যদিও আসন্ন নির্বাচনে উত্তাপের ছিটেফোঁটাও থাকবে বলে মনে হয় না। কারণ আবারও সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার অপেক্ষায় থাকা নাজমুল তাঁর যে প্যানেল ঘোষণা করলেন এবং কেনার শেষ দিনে যে কয়টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হলো, তাতে পরিচালক প্রার্থী প্রায় সবারই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে বাধা নেই কোনো। ‘প্রায়’ শব্দটি ব্যবহারের কারণ জেলা ও বিভাগের ক্যাটাগরি-১ এ নাজমুল সমর্থিত ঢাকা ও বরিশালের প্রার্থীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হতে পারে। প্যানেলের আর সবার মতো এঁরা দুজনও নাজমুলের পুরনো সঙ্গীই।

এঁদের মধ্যে প্রথমজন ১৭ অক্টোবর মেয়াদ শেষ হওয়া বোর্ডের পরিচালক ও মানিকগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে কাউন্সিলর হওয়া বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক নাঈমুর রহমান। পরেরজন আগেরবার বরিশাল থেকে পরিচালক হয়ে আসা এম এ আওয়াল চৌধুরী।

আওয়ালকে যে ভোটের লড়াইয়ে নামতে হতে পারে, সে কথা কাল প্যানেল ঘোষণার সময় বলেছেন নাজমুলও। বরিশাল থেকে একজনই পরিচালক হয়ে আসার কথা কিন্তু সেখানে মনোনয়ন কিনেছেন আরেকজনও, ‘বরিশাল থেকে দুজন মনোনয়নপত্র নিয়েছে। ২৪ অক্টোবর একজন মনোনয়ন প্রত্যাহার না করে নিলে ওখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। ’ প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরো শক্ত হবে ঢাকা থেকে দুজন পরিচালকের জন্য নির্বাচন হলে। কারণটি নাজমুলের মুখেই শুনে নিন, ‘ঢাকা বিভাগে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ওখানে তিন-চারজন মনোনয়নপত্র নিয়েছে। জমা দেওয়ার পর বোঝা যাবে বিষয়টি কী দাঁড়াচ্ছে। ’ আগের বোর্ডের কেবল আহমেদ ইকবাল হাসান নেই নাজমুলের এবারের প্যানেলে। বোর্ডসভায় নিয়মিত ছিলেন না বলে তিনি আর আগ্রহী নন ধরে নিয়ে তাঁর জায়গায় এবার ক্লাব কোটায় কাউন্সিলর করে আনা হয়েছে মঞ্জুর কাদেরকে, যিনি গতবার নাঈমুরের সঙ্গে ক্যাটাগরি-১ থেকে ঢাকা বিভাগের দুই পরিচালকের একজন হয়ে এসেছিলেন। প্রতিদ্বন্দ্বী তেমন না থাকায় নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে নাজমুলের আবার সভাপতি হওয়া নিয়েও সংশয় নেই কোনো।


মন্তব্য