kalerkantho


এথেন্স থেকে অলিম্পাসে

২০ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০



এথেন্স থেকে অলিম্পাসে

পৃথিবীর প্রাচীনতম শহরের একটি হচ্ছে এথেন্স। গ্রিক সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু।

গ্রিসের এই শহরের ফুটবল ক্লাব প্যানাথিনাইকোসের বিপক্ষেই ইউরোপিয়ান ক্লাব প্রতিযোগিতায় নিজের প্রথম গোলটা করেছিলেন লিওনেল মেসি। নিয়তির খেলায় আরেক গ্রিক ক্লাব অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষেই এলো শততম গোল! গ্রিক পূরাণে মাউন্ট অলিম্পাস হচ্ছে দেবতাদের আবাস। ‘প্রাচীন নগরী’তে প্রথম পা রাখা মেসিই চড়লেন ‘অলিম্পাস’ চূড়ায়! মেসির ১০০ গোলের ৯৭টিই চ্যাম্পিয়নস লিগে, ৩টি ইউরোপিয়ান সুপার কাপে।

যদিও ফ্রাংক রাইকার্ডের আমলে ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে শাখতার দোনেেস্কর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইউরোপিয়ান পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অভিষেক মেসির, গোলের দেখা পেতে লেগে যায় আরেকটু সময়। ২ নভেম্বর ২০০৫ তারিখে ন্যু ক্যাম্পে প্যানাথিনাইকোসের বিপক্ষে ৫-০ গোলের জয়ে স্কোরশিটে নাম তুলেছিলেন মেসি। গোলরক্ষক ছিলেন মারিও গালিনোভিচ। ক্রোয়েশিয়ার সাবেক এই গোলরক্ষক বোধহয় ভাবেননি, তাঁর মতো ভাগ্য আগামীতে বরণ করতে হবে আর অনেক গোলরক্ষককেই! চ্যাম্পিয়নস লিগে ১১৮ ম্যাচে ৯৭ গোল মেসির, উয়েফা সুপার কাপে ৪ ম্যাচে ৩টি। এই পরিভ্রমণে ইউরোপের ৩৭টি ভিন্ন ভিন্ন ক্লাবের বিপক্ষে খেলা হয়েছে মেসির। এর মধ্যে মাত্র সাত দলের বিপক্ষেই গোল করা হয়নি এই ফুটবল জাদুকরের।

মেসির ‘ছোঁয়া’ সবচেয়ে বেশি পেয়েছেন দুই গোলরক্ষক; বেয়ার লেভারকুসেনের বের্নড লেনো আর এসি মিলানের ক্রিস্তিয়ান অ্যাবিয়াতি। দুজনকেই মেসি দিয়েছেন ৭টি গোল করে! উল্টো হিসাবও আছে। লা লিগায় অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ মেসির প্রিয় প্রতিপক্ষগুলোর একটি, তাদের বিপক্ষে করেছেন ২৭ গোল। অথচ চ্যাম্পিয়নস লিগে চারবার তাদের মুখোমুখি হয়েও কোনো গোলই করতে পারেননি ‘এলএমটেন’। চ্যাম্পিয়নস লিগে বরং তাঁর প্রিয় প্রতিপক্ষ আর্সেনাল। মেসির সামনে যেন বারুদের অভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে ‘গানার’দের কামান, আর্সেন ওয়েঙ্গার শিষ্যদের বিপক্ষে মেসির ৯ গোল। এরপরই এসি মিলান আর সেল্টিক, দুই দলের বিপক্ষেই ৮টি করে গোল।

লিসবনে এক ভক্ত এসে চুমু খেয়েছিলেন মেসির বাঁ পায়ে। জাদুমাখা ওই পায়ের কেরামতিই যে ১০০ গোলে সবচেয়ে বেশি থাকবে এটাই তো স্বাভাবিক। ৮২টা গোল এসেছে ওই বাঁ পা থেকে, ডান পায়ে করেছেন ১৪ গোল আর হেড থেকে ৪টি। সবচেয়ে বিখ্যাত হেড নিঃসন্দেহে ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে সেই গোল! ক্লাব ওয়েবসাইট, মার্কা


মন্তব্য