kalerkantho


বাংলাদেশের পেসাররা ‘আদর্শ’ জায়গায়

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



বাংলাদেশের পেসাররা ‘আদর্শ’ জায়গায়

প্রথম টেস্টের মাঠে : ২৮ সেপ্টেম্বর পচেফস্ট্রুমের এ মাঠেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ দল। তার আগে গতকালই এ মাঠে প্রথম অনুশীলন করেছেন মুশফিকুর রহিমরা। কোচ চন্দিকা হাতুরাসিংহে ও ম্যানেজার মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর সঙ্গে উইকেট দেখার ফাঁকে একই ফ্রেমে বাংলাদেশের অধিনায়ক। ছবি : বিসিবি

ক্রীড়া প্রতিবেদক : প্রায় এক দশক পর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়া বাংলাদেশের আসলে পেছনে ফিরে অনুপ্রেরণা নেওয়ার কিছু নেই। কারণ ২০০২ ও ২০০৮ সালের সফর দুটিতে খেলা চার টেস্টের প্রতিটিতেই ইনিংসের ব্যবধানে হার।

এর মধ্যে ১৫ বছর আগের সফরে দুই ম্যাচ সিরিজের শেষ টেস্টে পচেফস্ট্রুমে বাংলাদেশ হেরেছিল ইনিংস ও ১৬০ রানে। এত দিন পর দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে সেই পচেফস্ট্রুমেই যখন ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে প্রথম টেস্ট খেলতে নামছেন মুশফিকুর রহিমরা, তখন অতীতের ব্যর্থতায় আতঙ্কিত হওয়ার মতো দলও এখন বাংলাদেশ নয়। বরং গত কিছুদিনে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও টেস্ট জেতার সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়া বাংলাদেশ এবার দূর আফ্রিকায়ও সেই ছাপটা রেখে আসতে চায়।

সেই তাগিদটা পেস বোলারদেরও কম নয়। কারণ নিজেদের মাঠে তাঁরা অনুকূল উইকেট পান না কখনোই। দেশের মাটিতে দলে পেসার নেওয়া হয় বটে। কিন্তু ইদানীং দুই টেস্টের সিরিজের প্রথমটিতে একাদশে দুজন পেসারের ঠাঁই হলেও পরেরটিতে স্রেফ একজন। সেই বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় এবার নিয়ে গেছে পাঁচ পেসার। সেখানকার উইকেট ও কন্ডিশন, সবই যে ফাস্ট বোলারদের হাওয়ার অনুকূলে।

এ রকম উইকেটে দুর্দান্ত কিছু করে দেশের মাঠে উপেক্ষিত হওয়ার জবাব দিতেও মরিয়া হয়ে থাকবেন পেসাররা। সেটি মনে থাকলেও মুখে নিশ্চয়ই কেউ বলবেন না। বিলম্বে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়া রুবেল হোসেন বললেনও না। তবে ‘আদর্শ’ জায়গায় গিয়ে বোলিংয়ের সম্ভাব্য রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার জন্য তাঁর মুখিয়ে থাকার ব্যাপারটি স্পষ্ট গতকাল সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে, ‘আমরা সাধারণত জানি, দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটে পেস বোলারদের জন্য সাহায্য থাকে ও বাউন্সি হয়। কন্ডিশন অনুযায়ী মাঝে-মধ্যে সুইং করে। পেস বোলারদের জন্য খুবই আদর্শ জায়গা। আমরা যারা পেস বোলার আছি, তাঁরা যদি খুব ভালো পরিকল্পনা নিয়ে বোলিং করতে পারি, তাহলে মনে হয় আমরা সফলই হব এখানে। ’


মন্তব্য