kalerkantho


গোলরক্ষক মোতালেব আর নেই

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



গোলরক্ষক মোতালেব আর নেই

রহমতগঞ্জ দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করে আবাহনীতে খেলেছেন দাপটের সঙ্গে, ছিলেন জাতীয় দলের গোলরক্ষক, ১৯৮২ এশিয়ান গেমসে অধিনায়কত্বও করেছিলেন। সেই মোতালেব হোসেন এখন না ফেরার দেশে।

ক্রীড়া প্রতিবেদক : একে একে চলে যাচ্ছেন সোনালি প্রজন্মের ফুটবলাররা। গত মাসেই চোখের জলে বিদায় দিতে হয়েছে ষাট-সত্তর দশকের তারকা ফুটবলার শামসুল ইসলামকে, তার এক দিন পরেই চলে গেছেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অন্যতম সদস্য আইনুল হকও।

কাল চলে গেলেন গোলরক্ষক মোতালেব। রহমতগঞ্জ দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করে আবাহনীতে খেলেছেন দাপটের সঙ্গে, ছিলেন জাতীয় দলের গোলরক্ষক, ১৯৮২ এশিয়ান গেমসে অধিনায়কত্বও করেছিলেন। সেই মোতালেব হোসেন এখন না ফেরার দেশে। ৬৭ বছর বয়সে কাল ঢাকায় নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।

বিকেলে আবাহনী মাঠে যখন খেলোয়াড়দের অনুশীলন চলছে, তখনই মোতালেবের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় সেখানে। ক্লাব প্রাঙ্গণে সাবেক এই খেলোয়াড়ের জানাজাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবাহনীর বর্তমান কোচ অমলেশ সেনও ক্যারিয়ারের শেষ কয়েকটি বছর খেলেছিলেন মোতালেবের সঙ্গে। কাল সেই সঙ্গীকে হারিয়ে শোকে আচ্ছন্ন তিনি, ‘রহমতগঞ্জে ক্যারিয়ারের শুরুতেই মোতালেব নিজেকে প্রমাণ করেছিল। মাঝখানে ও সেভাবে আলোচনায় ছিল না।

তবে আবাহনীতেই এসেই সে আবার তার ফর্ম পুনরুদ্ধার করেছিল। ’ আবাহনীতে ১৯৮২ থেকে ’৮৭ পর্যন্ত খেলেছেন, ’৮৩ থেকে ৮৪ পর্যন্ত আবাহনীর হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ে ছিলেন। ’৮৭তে ক্যারিয়ার শেষ করেছেন সেখানেই। পরে আকাশি-নীলদের গোলরক্ষক কোচও হন।

স্বাধীনতার পর মালয়েশিয়ায় মারদেকা কাপে জাতীয় দলের প্রথম আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টেও শহীদুর রহমান শান্টুর সঙ্গে দলে ছিলেন মোতালেব। ’৭৫-এ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ খেলেন যুব দলের হয়ে। তবে মাঝে লম্বা সময়ের বিরতি, এরপর ’৮২-তে ফেরেন প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপ ও এশিয়ান গেমস দিয়ে। খেলা ছাড়ার পর আবাহনীতে যেমন তেমনি জাতীয় দলেও গোলরক্ষক কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও আবাহনী ক্লাবের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন তিনি।


মন্তব্য