kalerkantho


আবাহনী-গুলশান ইয়ুথ ম্যাচ নিয়ে...

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



আবাহনী-গুলশান ইয়ুথ ম্যাচ নিয়ে...

ক্রীড়া প্রতিবেদক : মেয়েদের প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে মঙ্গলবার আবাহনীর কাছে হার এখনো মেনে নিতে পারছেন না গুলশান ইয়ুথের কোচ আলী হায়দার। তাঁদের নিয়ম বহির্ভূতভাবে বৃষ্টি আইন অর্থাৎ ডি/এল মেথডে হারানো হয়েছে বলে অভিযোগ করলেও ক্রিকেট আইনের মারপ্যাঁচ নিয়ে বিভ্রান্ত ছিলেন অনেকেই।

৪৬.২ ওভারে গুলশান ইয়ুথের ৭৫ রানের জবাবে ৮ ওভারে বিনা উইকেটে আবাহনী ৫০ রান তোলার পর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। দুই দলের ইনিংসের কমপক্ষে ২০ ওভার করে না হলে নিয়মানুযায়ী ম্যাচের নিষ্পত্তি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু বৃষ্টি থামার পর আবার খেলা শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে ডি/এল মেথডে ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেওয়া নিয়ে সেদিনই প্রশ্নের ঝড় ওঠে।

যদিও ক্রিকেট আইনসংশ্লিষ্ট বেশির ভাগ লোকই মনে করছেন ওভাবে ফল নির্ধারণ করা আইনসম্মতই ছিল। বিসিবির প্রধান ম্যাচ রেফারি রকিবুল হাসানও সেই পক্ষে। তিনি শতভাগ নিশ্চিত করেই বললেন, ‘খেলাটি আবার শুরু হতে যাচ্ছিল। ওই সময়ে ডি/এল মেথডে আবাহনীর টার্গেটও পুনর্নির্ধারণ জরুরি ছিল। ফল নির্ধারণে ২০ ওভারও খেলা হতেই হতো। ওই আইনে ২০ ওভারে আবাহনীর যে রান করার দরকার ছিল, সেটি ওরা আগেই করে ফেলায় আর ব্যাটিংয়ে নামার দরকার হয়নি।

’ তাই খেলা আবার শুরু না করে আবাহনীকে ৪৪ রানে জয়ী ঘোষণা করা হয়। যা নিয়ে সেদিনই অভিযোগ ছিল গুলশান ইয়ুথ কোচের। ক্রিকেট আইন নিয়ে নানা আলোচনার পরও তিনি নিশ্চিত যে যথাযথভাবে ম্যাচের ফল নির্ধারণ করা হয়নি। দুই দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও নিজের অবস্থানে অটল আলী হায়দার, ‘২৪ ঘণ্টা তো পেরিয়ে গেছে। এখন আমার আর কিছু করারও নেই। তবে যা হয়েছে, সেটি নিয়ম মেনে হয়নি। ’ কিন্তু খেলা যে আবার শুরু হতে যাচ্ছিল? এ প্রসঙ্গেও পাল্টা বক্তব্য আছে তাঁর, ‘মাঠও আসলে খেলার উপযোগী ছিল না। এভাবে ফল নির্ধারণ করা হবে বলেই হয়তো কোনোমতে মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছিল। আমি এখনো বলব, নিয়ম মেনে ম্যাচের ফল নির্ধারণ হয়নি। ’ যদিও ম্যাচের আম্পায়ার মোহাম্মদ ওয়াহিদ সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলছেন, ‘সব কিছু নিয়মানুযায়ীই করা হয়েছে। আর নিয়মটা তো আম্পায়ারদের করা নয়, এটা ডি/এল মেথড। ’


মন্তব্য