kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

ফজলু ওস্তাদের হাত ধরে এশিয়া কাপ দেখেছিলাম

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ফজলু ওস্তাদের হাত ধরে এশিয়া কাপ দেখেছিলাম

দরজায় কড়া নাড়ছে এশিয়া কাপ। ঘরের মাঠে আয়োজনটা বলে সারা হকি অঙ্গনেই এখন সাজ সাজ রব।

শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে সবখানে। এর মধ্যেই যেমন কাল জাতীয় দলের ম্যানেজার চূড়ান্ত করা হলো। এশিয়া কাপে সেই দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক তারকা খেলোয়াড় রফিকুল ইসলাম কামাল। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে এ প্রসঙ্গেই কথা বলেছেন তিনি

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : ঘরের মাঠে এশিয়া কাপের মতো বড় আসরে জাতীয় দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পেলেন, খেলা ছাড়ার পর আপনার সাংগঠনিক ক্যারিয়ারেও কি এটা সবচেয়ে বড় দায়িত্ব?

রফিকুল ইসলাম : অবশ্যই। অনেক বড় সম্মানেরও ব্যাপার এটা। ৩২ বছর পর বাংলাদেশে এশিয়া কাপ হকি ফিরেছে। প্রথমবারের মতো ফ্লাডলাইটে খেলা যেখানে। সেই আসরের একটা অংশ হতে পেরে সত্যি আমার অনেক ভালো লাগছে। বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনকেও ধন্যবাদ আমাকে এ দায়িত্বের যোগ্য মনে করায়।

প্রশ্ন : আপনার কী ধারণা, কেন আপনাকে বাছাই করা হলো?

রফিকুল : আমরা সব সময় চাই জাতীয় দলের সঙ্গে টেকনিক্যাল পার্সনরা থাকুক। তাতে খেলোয়াড়দের উপকার হয়। আমি নিজেও খেলোয়াড় ছিলাম, তা ছাড়া এর মধ্যে জাতীয় দলের সহকারী ম্যানেজারের দায়িত্বও পালন করেছি। আমার নামটা প্রস্তাব করেন শফিউল্লাহ আল মনির। ফেডারেশন সভাপতি যখন জানতে চাইলেন পারব কি না, তখন আমি বলেছি আমার ২০ বছরের খেলোয়াড়ি জীবন, গত চার বছর ধরে জাতীয় দল নির্বাচক কমিটিতে আছি, ঊষার ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছি—তাই এই চ্যালেঞ্জটা না নিতে পারার কোনো কারণ নেই।

প্রশ্ন : আপনার মূল চ্যালেঞ্জটা কী হবে?

রফিকুল : আমার মূল চ্যালেঞ্জটা হবে খেলোয়াড়দের উজ্জীবিত রাখা। এই খেলোয়াড়রা সবাই বেশ অভিজ্ঞ, কাজটা তাই কঠিন হবে না বলেই মনে করি। কোচ হারুন ভাইও গত কয়েক মাস ধরে দলের সঙ্গে। যেহেতু আমার মাঠের অভিজ্ঞতা আছে তাই যেকোনো প্রয়োজনে আমি তাঁকে সাহায্যও করতে পারব।

প্রশ্ন : ’৮৫-র এশিয়া কাপের কথা আপনার কতটা মনে আছে?

রফিকুল : তখন আমি ক্লাস ফোরে পড়ি। ওস্তাদ ফজলুর হাত ধরে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচটা দেখতে এসেছিলাম ঢাকা স্টেডিয়ামে। পুরো স্টেডিয়াম কানায় কানায় ভরা ছিল। বাংলাদেশ শেষ মুহূর্তে গিয়ে গোলটা হজম করে। মনে আছে এরপর আর আমরা বসিনি, সোজা স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে আসছিলাম। তবে ওই আসরটা আমার মনে গভীর দাগ কেটে গিয়েছিল। পুরান ঢাকায় হকির একটা পরিবেশের মধ্যেই আমি বড় হয়ে উঠেছি। তার মধ্যে ওই আসরটা আমার মধ্যে বড় খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্নটা তৈরি করে দেয়।

প্রশ্ন : এবারের আসর কতটা সফল হবে বলে মনে করেন?

রফিকুল : আয়োজনের দিক দিয়ে যথাসাধ্য চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে খেলোয়াড়দের প্রস্তুতিটা হয়তো আরো ভালো হতে পারত।


মন্তব্য