kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

বিকেএসপির মেয়েরা দ্রুত উন্নতি করছে

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



বিকেএসপির মেয়েরা দ্রুত উন্নতি করছে

বিকেএসপিতে মেয়েদের ফুটবল শুরু হয়েছে মাত্র বছর দেড়েক। এর মধ্যেই ভারতের সুব্রত কাপের শিরোপা জিতে ফিরেছে তারা।

প্রথম আসরেই তারা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল, এ বছর চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মণিপুরের এনসিসি দলকে হারিয়ে। মেয়েদের এই সাফল্য নিয়েই দলটির কোচ জয়া চাকমা কথা বলেছেন কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : ভারতের প্রাদেশিক চ্যাম্পিয়নদের আসর সুব্রত কাপ সব সময়ই বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, দ্বিতীয়বারের অংশগ্রহণেই বিকেএসপির শিরোপা জয় সম্ভব হলো কী করে?

জয়া চাকমা : মেয়েরা কঠিন পরিশ্রম করেছে এই টুর্নামেন্টের জন্য। তারই ফল পেয়েছি আমরা। গ্রুপ পর্বের দুটি ম্যাচসহ সবগুলো ম্যাচই আমরা জিতেছি। তাই বলে কোনো জয়ই কিন্তু সহজ ছিল না। কোয়ার্টার ফাইনালে টুর্নামেন্টের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন হরিয়ানাকে হারাই আমরা। ফাইনালে হারিয়েছি মণিপুরের এনসিসি দলকে। জানেনই তো মেয়েদের ফুটবলে মণিপুর কতটা শক্তিশালী।

প্রশ্ন : তো এই শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে কোচ হিসেবে আপনার মূল চ্যালেঞ্জ কী ছিল?

জয়া : কোচ হিসেবে যেকোনো পর্যায়েই কিন্তু এটা প্রথম টুর্নামেন্ট ছিল আমার।

আমি মেয়েদের সঙ্গে মাঠে ও মাঠের বাইরে সময় কাটিয়েছি। তাতে ওদের মধ্যে জয়ের ক্ষুধাটা তৈরি করতে পেরেছি বলে মনে হয়। টুর্নামেন্টে আমাদের টিম স্পিরিট ছিল অনেক উঁচুতে। কোয়ার্টার ফাইনালে হরিয়ানার বিপক্ষে জয়ের পরই আসলে আমাদের মধ্যে বিশ্বাসটা তৈরি হয়ে যায় যে আমরা কিছু করতে পারব। আগেরবার ওরা কোয়ার্টার ফাইনালে আটকে গিয়েছিল, তখন কিন্তু আমি কোচ ছিলাম না। এই টুর্নামেন্টে আমাদের মেয়েদের চেষ্টাটা অনেক বেশি ছিল বলে প্রতিপক্ষ যে ভুলগুলো করেছিল, সেই সুযোগগুলোও পুরোমাত্রায় কাজে লাগাতে পেরেছি আমরা।

প্রশ্ন : সাম্প্রতিক সময়ে ছেলে ও মেয়েদের দুই বিভাগেই বয়সভিত্তিক পর্যায়ে বেশ ভালো করছে বাংলাদেশ, এই দলগুলোতে বিকেএসপিরও অনেক খেলোয়াড় আছেন, তার মানে কি এই সময়ে ফুটবলে বিকেএসপির কার্যক্রম বেশ ভালো চলছে?

জয়া : আমার মনে হয় না, শুধু এটা সাম্প্রতিক সময়ের ব্যাপার। বিকেএসপির ফুটবল সেকশনটা অনেক দিন ধরেই জাতীয় দলে খেলোয়াড় সরবরাহ করে আসছে। মামুনুল ভাই, এমিলি ভাইরা কিন্তু বিকেএসপিরই। এখন যারা বয়সভিত্তিক পর্যায়ে ভালো করছে তারা সেই ধারাবাহিকতার মধ্যেই আছে। আর এই মুহূর্তে মেয়েদের ফুটবল নিয়ে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিকেএসপির মেয়েরাও দ্রুত উন্নতি করছে। থাইল্যান্ডে অনূর্ধ্ব-১৬ যে দলটা গেল সেখানেও আমাদের দুজন খেলোয়াড় ছিল।

প্রশ্ন : আপনি নিজেও তো ফুটবলার ছিলেন, কোচিংটা কতটা উপভোগ করছেন?

জয়া : এমন সাফল্য পেলে উপভোগ না করার তো কোনো কারণ নেই। জাতীয় দলের হয়ে আমি এসএ গেমসে খেলেছিলাম। এরপর আর সুযোগ পাই না। কোচিংয়ে চেষ্টা করছি এখন আরো ভালো কিছু করে দেখাতে।


মন্তব্য