kalerkantho


৪৬-এ থামলেন দাতে

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



কেউ কেউ বলেন টেনিসের ‘দাদি’! কারো মতে জাপানের টেনিসে নতুন সূর্য। সেই সূর্যটা ডুবল অবশেষে।

৪৬ বছর ১১ মাস বয়সে চূড়ান্ত অবসর নিলেন কিমিকো দাতে। গতকাল জাপান ওপেনে আলেকজান্দ্রা ক্রুনিকের কাছে ৬-০, ৬-০ গেমে হারের পর তুলে রাখলেন টেনিস র‌্যাকেট। বিদায়বেলায় ধরে রাখতে পারেননি চোখের জল। কাঁদতে কাঁদতে টোকিওর দর্শকদের সামনে বলছিলেন, ‘এটাই আমার শেষ। খুব খারাপ লাগছে আর টেনিস খেলব না বলে। তবে টেনিস যা দিয়েছে, তাতে কৃতজ্ঞ থাকব জীবনভর। ’

নব্বইয়ের দশকে টেনিস কোর্ট মাতিয়েছেন দাতে। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে সেমিফাইনাল খেলেছেন ১৯৯৪ সালে। ১৯৯৫ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেন আর ১৯৯৬ সালে শেষ চারে নাম লেখান উইম্বলডনের।

জাপানের টেনিস তাঁর ছোঁয়ায় বদলে গিয়েছিল অনেকটা। দাতে পৌঁছেছিলেন র‌্যাংকিংয়ের ৪ নম্বরে। সাফল্যের মধ্যগগনে থাকতে হঠাৎ অবসর নিয়ে ফেলেন ১৯৯৬ সালে। ১২ বছর পর ২০০৮ সালে সবাইকে অবাক করে ফিরে আসেন আবারও! তখন তাঁর বয়স ৩৮ বছর। শুধু ফেরার জন্য ফেরা নয়। ২০০৯ সালে ৩৯ বছর বয়সে ডাব্লিউটিএ শিরোপা জিতে গড়েন ইতিহাস। সিউলে সেবার কোরিয়ান ওপেন জিতে উন্মুক্ত যুগে বিলি জিন কিংয়ের পর সবচেয়ে বেশি বয়সী হিসেবে রেকর্ড গড়েন ডাব্লিউটিএ শিরোপার। ২০১৩ সালে জেতেন তিনটি শিরোপা। সেই বছর দুটি গ্র্যান্ড স্লামের তৃতীয় রাউন্ডেও পৌঁছান দাতে। পরের বছর করেন আরো বড় কীর্তি। ক্যারিয়ারে প্রথমবার নাম লেখান কোনো গ্র্যান্ড স্লামের সেমিফাইনালে। ইউএস ওপেনের দ্বৈতে শেষ চারে অভিযান থামার পর চোটে পড়ে করতে পারেননি তেমন কিছু। এক বছর বাদে কোর্টে ফিরেছিলেন এ বছরের শুরুতে। তবে সুবিধা করতে না পারায় জাপান ওপেনে দেশের দর্শকদের সামনে বিদায় বলে দিলেন আটটি ডাব্লিউটিএ শিরোপা জেতা দাতে। এএফপি


মন্তব্য