kalerkantho


লিগ বন্ধে ক্ষুব্ধ এসজিএস

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ক্রীড়া প্রতিবেদক : অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ফুটবল ক্যাম্পের জন্য প্রিমিয়ার লিগ শুরুই হয়েছে এক মাস দেরিতে। লিগের সপ্তম রাউন্ড শেষ হওয়ার পর আবার এসেছে বন্ধের ঘোষণা।

এবার ২০ দিনের বিরতি অনূর্ধ্ব-১৮ দলের ফুটবল ক্যাম্পের জন্য। এ খবরে বেজায় ক্ষুব্ধ হয়েছে লিগের স্বত্বাধিকারী সাইফ গ্লোবাল স্পোর্টস (এসজিএস)। তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই বাফুফে ছুটির ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছে।

নিজের অফিসে কাল সংবাদ সম্মেলন করে এসজিএসের চেয়ারম্যান রুহুল আমিন তরফদার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, ‘আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই লিগ বন্ধ করে দিয়েছেন ২০ দিনের জন্য। অথচ লিগের স্বত্ব কেনার চুক্তিতে স্পষ্ট উল্লেখ ছিল, লিগসম্পর্কিত যেকোনো ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। ’ প্রিমিয়ার লিগের পাঁচ বছরের স্বত্ব কিনেছে এসজিএস। গতবার চুক্তির প্রথম লিগ পার করলেও এবার লিগ নিয়ে তারা গড়িমসি শুরু করে। শেষমেশ দেড় কোটি টাকায় রফা হয়েছে এবারের লিগের স্বত্ব। এ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেছেন, ‘এই লিগে আমাদের বিনিয়োগ আছে অনেক।

লিগ কমিটির কারণে আমরা এমনিতেই ক্ষতির মুখে পড়েছি এবার। সে রকম কোনো বড় স্পন্সরও পাওয়া যায়নি। পেছাতে পেছাতে তারা লিগ শুরু করেছে দেরিতে। তাই এখন বৃষ্টির মধ্যে খেলা হচ্ছে। এর সঙ্গে অনূর্ধ্ব-১৮ দলের অজুহাতে লিগ বন্ধ করে দিয়ে আরেক দফা ক্ষতির ব্যবস্থা করেছে। এভাবে হুটহাট খেলা বন্ধ করার কারণে দ্বিতীয় লেগ থেকে সরাসরি খেলা সম্প্রচার কঠিন হয়ে পড়েছে। এই ক্ষতির টাকা কে দেবে?’ লিগের ম্যাচগুলো সরাসরি সম্প্রচারিত হচ্ছে বাংলা টিভিতে। লিগ বন্ধ কিংবা বারবার ফিকশ্চার বদল হলে টিভির জন্য কঠিন হয়ে যায় বিষয়টি।

লিগ বন্ধ হলে ক্লাবগুলোর ক্ষতির বিষয়টি নিয়ে ভাবে না ফেডারেশন। এতে ক্যাম্প খরচ বাড়ে ক্লাবগুলোর, ক্ষতিগ্রস্ত হয় পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান, সমস্যা দেখা দেয় সরাসরি সম্প্রচারেও। ফেডারেশনের এমন প্রতি নিয়ত লিগ স্থগিতের পেছনে ষড়যন্ত্রের গন্ধও পাচ্ছেন রুহুল আমিন, ‘লিগ বন্ধ না করে ম্যাচগুলো পুনর্বিন্যাস করা উচিত ছিল। অনূর্ধ্ব-১৮ দলে যে ক্লাবের খেলোয়াড় বেশি, তাদের ম্যাচগুলো পরে নিয়ে গেলেই হয়। আমার জানা মতে, এই দলে সাইফ স্পোর্টিংয়ের খেলোয়াড় সবচেয়ে বেশি, পাঁচজন। অথচ তারা লিগ বন্ধ করার প্রস্তাব দেয়নি, তারা সূচি পুনর্বিন্যাস করতে বলেছিল। কার স্বার্থে এবং কেন লিগ কমিটি এ কাজ করেছে, আমি জানি না। ’


মন্তব্য