kalerkantho


ডাক পেয়েই অবসরে রুনি

২৪ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০



ডাক পেয়েই অবসরে রুনি

পুরনো ক্লাবে ফিরে চেনা ছন্দে ওয়েইন রুনি। টানা দুই ম্যাচ গোল করেছেন এভারটনের জার্সিতে। জাতীয় দলে খেলার জন্যই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে তাঁর এভারটনে আসা। পূরণও হতে যাচ্ছিল স্বপ্নটা। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পরের দুই ম্যাচে খেলার আমন্ত্রণ জানিয়ে গত পরশু রুনিকে ফোন করেছিলেন ইংল্যান্ডের ম্যানেজার গ্যারেথ সাউথগেট। কিন্তু ১১৯ ম্যাচে রেকর্ড ৫৩ গোল করা এই ফরোয়ার্ড বিস্ময়করভাবেই ‘না’ করলেন তাঁকে। জাতীয় দল নয়, এখন রুনির সব মনোযোগ এভারটনে। তাই বিনয়ের সঙ্গে প্রস্তাব ফিরিয়ে জানালেন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত, ‘জেনে ভালো লাগছে আমাকে সাউথগেট জাতীয় দলের জন্য বিবেচনা করেছিলেন আবারও। তবে অনেক ভেবেই জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্তের কথা বলেছি তাঁকে। খুব কঠিন ছিল এটা। আলোচনা করেছি আমার পরিবার, ঘনিষ্ঠ বন্ধু আর এভারটনের ম্যানেজারের সঙ্গে। ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা সব সময় বিশেষ কিছু ছিল আমার কাছে। কিন্তু সরে যাওয়ার এটাই সময়।’

১৭ বছর বয়সে ২০০৩ সালে জাতীয় দলে অভিষেক রুনির। ৪ গোল করে নজর কেড়েছিলেন পরের বছর ইউরোয়। ১৪ বছরের ক্যারিয়ারে স্যার ববি চার্লটনকে পেছনে ফেলে হয়েছেন ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতা। সুযোগ ছিল ৫৩ গোলের রেকর্ড ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যাওয়ার। ইংল্যান্ডের হয়ে কিছু জিততে না পারার হতাশা কাটানোরও। কিন্তু অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্তটা চূড়ান্ত রুনির, ‘ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ার সিদ্ধান্তটা কঠিন ছিল। তবে জানতাম এভারটনে আসা আমার জন্য ভালো হবে। এখন এভারটনের সাফল্য পাওয়া নিয়ে আমার সব মনোযোগ। তবে সব সময় ভক্ত থাকব ইংল্যান্ডের।’

রুনির ক্যারিয়ারের অন্যতম হতাশা জাতীয় দলের হয়ে কিছু জিততে না পারা। তাঁর ৫৩ গোলের মাত্র ১টি বিশ্বকাপে। লাল কার্ডও দেখেছেন ২০০৬ বিশ্বকাপে। ইউরোয় করেছেন ৬ গোল। ‘থ্রি লায়ন্সের’ সাবেক এই অধিনায়ক বিদায়বেলায় তাই স্বপ্ন দেখছেন তরুণ প্রজন্ম সাফল্য এনে দেবে ইংল্যান্ডকে। আর ভক্ত হয়ে সেটা উপভোগ করবেন রুনি। বিবিসি


মন্তব্য