kalerkantho


শেখ জামালের জয়

২২ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০



শেখ জামালের জয়

ক্রীড়া প্রতিবেদক : তিন ম্যাচ হারার পর আরামবাগ কেবল আগের ম্যাচে ব্রাদার্সকে হারিয়ে পথে ফিরেছিল। পঞ্চম ম্যাচে আবার বিপথগামী। যারা আসলে আত্মঘাতী হতে চায় তাদের পথ আর বিপথ। প্রথমে এগিয়ে গিয়েও দু-দুটি আত্মঘাতী গোলে আরামবাগ ১-৩ গোলে হেরেছে শেখ জামাল ধানমণ্ডির কাছে। সুবাদে জামাল পাঁচ ম্যাচে চারটি জয় ও এক ড্রয়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে। ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে চট্টগ্রাম আবাহনী। দিনের অন্য ম্যাচে বিজেএমসি ১-০ গোলে ফরাশগঞ্জকে হারিয়ে পেয়েছে প্রথম জয়ের স্বাদ। সুবাদে তাদের সংগ্রহ ৫ পয়েন্ট আর বিজেএমসির ৩।     

প্রথমে কিছুক্ষণ ছিল আরামবাগের দাপট। খেলায় গতি ও পাসিং সবই হচ্ছিল ঠিকঠাক—আগের ম্যাচে ব্রাদার্সকে হারিয়ে যেন আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছিল তারা। তাতে মিলে যায় গোল।

গোলের পর আবার তথৈবচ অবস্থা। এলোমেলো খেলে আরামবাগ বেছে নিয়েছে আত্মহননের পথ। নিজেদের জালে দু-দুটি আত্মঘাতী গোল করে লিড উপহার দেয় শেখ জামাল ধানমণ্ডিকে। পরাশক্তিকে এভাবে এগিয়ে দিলে তো রক্ষা নেই। শেষে সলোমন কিংয়ের আরেক গোলে ম্যাচ জিতে নেয় শেখ জামাল।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যায় আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ। ডানদিক থেকে জুয়েলের বাড়ানো নিচু ক্রসে বুকোলার প্লেসিং গোলরক্ষক মিতুলকে ফাঁকি দিয়ে শেখ জামালের জালে পৌঁছে গেলে এগিয়ে যায় ক্লাবপাড়ার দলটি। এটা তাদের প্রাপ্য। কারণ শেখ জামাল ম্যাচটি শুরু করেছিল এলোমেলো। কাদা মাঠে ছন্দে ফিরতে পারছিল না তারা। ফিরিয়ে আনার কাজটি করে দিয়েছেন আরামবাগের ডিফেন্ডাররা। ৩৬ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে পাঠানো এক লং বলে পা চালিয়ে জালাল মিয়া বিপদ ডেকে আনেন। পোস্টের সামনে দাঁড়িয়ে এলোমেলো শট করতে গিয়ে বল নিজেদের পোস্টের দিকে চলে যায়। এভাবে ম্যাচে ফেরার পর শেখ জামালকে এগিয়ে দেওয়ার কাজটিও করে দেয় আরামবাগ। এবার শাহরিয়ার বাপ্পীর হেড। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে এনামুলের কর্নার কিকটি ক্লিয়ার করতে গেলে বল জমা হয়ে যায় নিজেদের জালে। আরামবাগ যেন প্রতিপক্ষকে জেতাতেই মাঠে নামে এদিন। দু-দুটি আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর শেখ জামালের অবদান ৬৩ মিনিটে সলোমন কিংয়ের একটি মাত্র গোল। শ্যামল মিয়ার বাড়ানো বলে বক্সের কোনা থেকে গাম্বিয়ানের ডান পায়ের জোরালো শটে শেখ জামালের জয় নিশ্চিত হয়।

দিনের শেষ ম্যাচে বিজেএমসি ২৫ মিনিটে এগিয়ে যায়। পাশবন মোল্লার চমৎকার এক থ্রু-বলে কিংসলের সামনে খুলে যায় গোলের দুয়ার। এই নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড আগুয়ান গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে বল পৌঁছে দেন ফরাশগঞ্জের জালে। ৬৫ মিনিটে ফরাশগঞ্জের ফারুক হোসেন লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে বিজেএমসি অজস্র সুযোগ পায় ব্যবধান বড় করার। পাশবন একাই নষ্ট করেছেন দুটি সহজ সুযোগ।


মন্তব্য