kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

ম্যাচ উইনিং স্পেল করতে চাই

২২ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০



ম্যাচ উইনিং স্পেল করতে চাই

বৃষ্টির কারণে অনুশীলন ঠিকঠাক হয়নি। তাসকিন আহমেদ তবু বরাবরের মতোই হাসিখুশি।

কাল গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে উচ্চাশার পাশাপাশি জানালেন তাঁর স্বপ্নের উইকেটের কথাও

 

প্রশ্ন : মমিনুল হকের স্কোয়াডে প্রত্যাবর্তন কিভাবে দেখছেন?

তাসকিন আহমেদ : মমিনুল ভাইয়ের ফিরে আসা আনন্দের ব্যাপার। আবার মোসাদ্দেকের না থাকাটা দুঃখজনক। চোখের অসুস্থতার কারণে সে খেলতে পারলো না। অর্থাৎ দুটো ব্যাপার মিলিয়ে আনন্দ যেমন হচ্ছে, আবার খারাপও লাগছে।

প্রশ্ন : দুই দলের পেসারদের তুলনা কিভাবে করবেন?

তাসকিন : ওদের পেসাররা অবশ্যই ভালো। তবে আমরাও ফেলে দেওয়ার মতো না। আমাদের পেসাররা অনেক বড় ম্যাচ জিতিয়েছে। এই সিরিজেও তাই আমরা ভালো কিছু করতে পারি। সে রকম বিশ্বাস আমাদের আছে।

প্রশ্ন : মুস্তাফিজুর রহমানের কাছ থেকে প্রত্যাশা কী থাকবে?

তাসকিন : মুস্তাফিজের কাছে সব সময় আমাদের আশা বেশি থাকে। হয়তো ওর শেষ কয়েকটি ম্যাচ ভালো হয়নি। এটা নিয়ে আমাদের কোনো চিন্তা নেই। আশা করি ও দারুণভাবে ফিরে আসবে। আর আমাদেরও অনেক দায়িত্ব আছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো কিছু করার। এই সিরিজের উইকেট ওদের চেয়ে আমরা ভালো বুঝব; কারণ তা আমাদের চেনা আছে। আশা করছি সিরিজে ভালো কিছুই করব।

প্রশ্ন : অস্ট্রেলিয়ার কোন ব্যাটসম্যানের উইকেট আপনার কাছে স্বপ্নের উইকেট?

তাসকিন : আসলে টেস্ট ক্রিকেটে প্রতিটি উইকেটের মূল্য রয়েছে। ওদের টপঅর্ডারে যারা আছে, সবাই খুব ভালো ফর্মে। অভিজ্ঞরা তো আছেই; নতুনরাও ধারাবাহিকভাবে ভালো করছে। আমার স্বপ্নের উইকেটের মধ্যে ওয়ার্নার-স্মিথ রয়েছেন। আসলে সুযোগ পেলে একটা ম্যাচ উইনিং স্পেল করতে চাই।

প্রশ্ন : ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজের উইকেটে পেসারদের জন্য কিছুই ছিল না। এবারও তেমনটা হলে ম্যাচ জেতানো স্পেল করা কতটা কঠিন?

তাসকিন : হ্যাঁ, কঠিন। তবে ম্যাচ উইনিং স্পেল মানে পাঁচ-সাত উইকেট নেওয়া নয়। বরং হয়তো ভালো কিছু ওভার করা। দেখা গেল, স্পিনাররা পাঁচ-সাতটা উইকেট নিয়েছে। মাঝখানে দুটি উইকেট আমি নিয়ে নিলাম; যা দলকে সাহায্য করবে। এমন কিছুই করতে চাই। পুরনো বলে রিভার্স সুইংটা করতে চাই। এসব নিয়ে কাজ করছি।

প্রশ্ন : আপনার ফিটনেসের অবস্থা এখন কেমন? আর ওয়ানডের চেয়ে টেস্টকে আলাদা মনে হচ্ছে কোথায়?

তাসকিন : ফিটনেস আগের চেয়ে অনেক ভালো। সর্বশেষ দুই বছরে বড় কোনো ইনজুরি হয়নি। আর টেস্টে তো খেলা হয় সেশন ভাগ করে। ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টিতে দেখা যায় একটি বা দুটি স্পেলেই ম্যাচ শেষ। কিন্তু টেস্টে অমন সাত-আটটা স্পেল থাকে। জিনিসটা এত সহজ নয়। টেস্টে আমি নিউজিল্যান্ডে বোলিং করে যে আনন্দ পেয়েছি, তা শ্রীলঙ্কায় পাইনি। আর বাংলাদেশে তো এখনো টেস্টই খেলিনি। আমার মনে হয়, টেস্ট অনেক ধৈর্য ও দক্ষতার ব্যাপার।


মন্তব্য