kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

আমার প্রতিশ্রুতি আমি রক্ষা করতে চাই

২০ মে, ২০১৭ ০০:০০



আমার প্রতিশ্রুতি আমি রক্ষা করতে চাই

বাফুফে নির্বাচন এলে জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে খুব তোষামোদ করেন প্রার্থীরা। নির্বাচন ফুরিয়ে গেলে আর  কদর থাকে না তাঁদের। তাঁরা অর্থাভাবে স্থানীয় লিগ চালাতে পারেন না। এ জন্য আজ তাঁরা পূর্বাণী হোটেলে বসছেন সাইফ পাওয়ারটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বাফুফে নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়কারী তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সঙ্গে। নির্বাচনের সময় ব্যক্তিগতভাবে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ডিএফএ-কে সহায়তা করার। এ ব্যাপারে গতকাল তিনি বিস্তারিত আলাপ করেছেন দেশের গণমাধ্যমগুলোর সঙ্গে। তারই চুম্বকাংশ এখানে তুলে দেওয়া হলো

 

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : আপনি কি বাফুফের পক্ষ থেকে জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসছেন?

তরফদার রুহুল আমিন : না, আমি বাফুফের কেউ নই। নির্বাচনের সময় কাজী সালাউদ্দিন প্যানেলের প্রধান সমন্বয়কারী ছিলাম আমি। তখন জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর সঙ্গে একটি সভায় আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম বিএসএলের পক্ষ থেকে প্রতিটি জেলাকে লিগ করার জন্য দুই লাখ টাকা করে প্রতিবছর অর্থসাহায্য দেব। গত বছর বিক্ষিপ্তভাবে কয়েকটি জেলাকে সহায়তা করেছিলাম। কিন্তু তা ঠিকভাবে মনিটর করা যাচ্ছে না। এ জন্যই ডিএফএগুলো আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে আগামীকাল তাদের সঙ্গে বসে একটি আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।

প্রশ্ন : আজকের এই অনুষ্ঠানের আয়োজক কারা?

রুহুল আমিন : এটা আসলে আমার কোনো অনুষ্ঠান নয়। ডিএফএগুলো এই আয়োজন করেছে, নড়াইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আশিকুর রহমান মিকুই আমাকে এই সভার কথা জানিয়েছেন। তাদের আমন্ত্রণে আমি যাব। টাকা-পয়সার অভাবে জেলাগুলো ঠিকঠাক লিগ করতে পারছে না, সেটা আমি জানি। তা ছাড়া আমিও চাই জেলা ফুটবলকে চাঙ্গা করতে। তৃণমূল থেকে কাজ না হলে বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়ন সম্ভব নয়।

প্রশ্ন : নির্বাচনে বাফুফে সভাপতিরও প্রতিশ্রুতি ছিল জেলাগুলোকে অর্থসহায়তা দেওয়ার। প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে তো আপনিও দায় এড়াতে পারেন না।

রুহুল আমিন : এ ব্যাপারে বাফুফেই ভালো বলতে পারবে। নির্বাচন হওয়া পর্যন্ত প্রধান সমন্বয়কের কাজ করেছিলাম, এরপর আমি নির্বাহী কমিটির কোনো অংশ নই। ইশতেহারটা আমরা সকলে মিলেই করেছিলাম। বাফুফেরও কিছু আর্থিক সীমাবদ্ধতা আছে, তবু তারা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে আশা করি। আমাদের ফুটবলের পাইপলাইন বলতে কিছু নেই। জেলাগুলোতে খেলা হয় না নিয়মিত। ঢাকায় গত তিন বছরে মহানগরী লিগগুলোও ঠিকভাবে হয়নি। এভাবে চলতে থাকলে নতুন খেলোয়াড় আসবে কোত্থেকে।

প্রশ্ন : বাফুফের কোনো উপ-কমিটিতে আপনি নেই। তবে আপনি কেন উদ্যোগী হয়ে কাজটা করছেন?

রুহুল আমিন : নির্বাচিত হয়ে ফেডারেশনে থাকলেও ফুটবল নিয়ে কাজ করা যায়, না থাকলেও করা যায়। ফুটবল শুধু বাফুফের নয়, এ দেশের সবার। আমি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেটা আমি রক্ষা করতে চাই। এটা দেখে অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানও এগিয়ে আসতে পারে ফুটবল উন্নয়নে।


মন্তব্য