kalerkantho


আউট ছিলেন চান্ডিমাল!

১৬ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



আউট ছিলেন

চান্ডিমাল!

কলম্বো থেকে প্রতিনিধি : আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে সাব্বির রহমানের নিশ্চয়ই অজানা নয় যে আম্পায়ারিং নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করা আচরণবিধি পরিপন্থী। তবু ভরা সংবাদ সম্মেলনে সেই ঝুঁকিটাও নিলেন তিনি।

পাশে বসা বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদও তাঁকে বিরত করলেন না। লিটন কুমার দাশের চোটে বাংলাদেশের শততম টেস্ট খেলার সুযোগ পাওয়া এই তরুণ কোনো রাখঢাক না রেখেই বলে ফেললেন, ‘চান্ডিমালের আউটটির ক্ষেত্রে আম্পায়ার হয়তো ভুল সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। ’

দীনেশ চান্ডিমাল তখন ৩৮ রানে। সাকিব আল হাসানের বল ফরোয়ার্ড ডিফেন্স করতে যান তিনি। কিন্তু বল তাঁর ব্যাটের ভেতরের কানা নিয়ে চলে যায় স্লিপ ফিল্ডার সৌম্য সরকারের হাতে। বাংলাদেশের ফিল্ডারদের সমবেত আবেদনে ফিল্ড আম্পায়ার সুন্দরম রবিও আঙুল তুলে দেন। কিন্তু চান্ডিমাল রিভিউ চাওয়াতে ব্যাপারটি চলে যায় থার্ড আম্পায়ার মরিস ইরাসমাসের কাছে। তিনি ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে বারবারই রিপ্লে দেখেন কিন্তু তাতে স্থির কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছার উপায় ছিল না। কারণ এই সিরিজে রিভিউ থাকলেও নেই ‘স্নিকো’ কিংবা ‘হটস্পট’।

তাই বল ব্যাটসম্যানের ব্যাট ছুঁয়ে গিয়ে থাকলেও অস্পষ্টতা থেকে যায়। চান্ডিমালের ক্ষেত্রেও তা-ই ছিল বলেই সম্ভবত তাঁকে ‘বেনিফিট অব ডাউট’ দিয়েছেন থার্ড আম্পায়ার।

টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমও দিনের খেলা শেষে টিমবাসে ওঠার আগে রিভিউতে সিদ্ধান্ত পাল্টে যাওয়া নিয়ে বিস্ময় গোপন করলেন না, ‘সিদ্ধান্ত পাল্টে যেতে দেখে অবাকই হয়েছি। এরকম আউটের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত বদলায় নাকি?’ অর্থাৎ বাংলাদেশ শিবির মোটামুটি নিশ্চিত যে চান্ডিমাল আউট ছিলেন তখনই। এ জন্যই ‘স্নিকো’র প্রয়োজনীয়তা আরো বেশি করে উপলব্ধি করলেন মুশফিক, ‘এখানে স্নিকো রাখাও সত্যিই খুব জরুরি ছিল। ’

সংবাদ সম্মেলনে সে কথাও উল্লেখ করতে ভুললেন না সাব্বির, ‘চান্ডিমালের স্নিক নিয়ে আমরা শতভাগ নিশ্চিত ছিলাম। স্নিকো না থাকার কারণেই আমরা ওই আউটটি পেলাম না। ’ অবশ্য তাইজুল ইসলামের বলে ৪৬ রানে থাকা চান্ডিমালকে ফাইন লেগে সামনে ঝাঁপিয়ে পড়ে নেওয়া মেহেদী হাসান মিরাজের ক্যাচের ক্ষেত্রে থার্ড আম্পায়ার যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সেটি নিয়ে কোনো আপত্তি নেই সাব্বিরের, ‘ওটা ফিফটি-ফিফটি সুযোগ ছিল। মিরাজ সেটিকে শতভাগে পরিণত করতে চেয়েছিল। ও অনেক ভালো ফিল্ডার। ও বুঝতে পারেনি বল মাটি ছুঁয়েছে কি না। নিশ্চিত ছিল না বলেই সিদ্ধান্তের জন্য থার্ড আম্পায়ারের কাছে যেতে হয়েছিল। ’

 


মন্তব্য