kalerkantho


ছিটকে গেলেন স্টার্ক

ভারত-অস্ট্রেলিয়ার সন্ধি

১১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



ভারত-অস্ট্রেলিয়ার সন্ধি

মাঠের বাইরে ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ উত্তাপ ছড়াচ্ছে প্রথম থেকেই। সবশেষ বেঙ্গালুরু টেস্টে রিভিউ নিতে স্টিভেন স্মিথের ড্রেসিংরুমে তাকানো নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে দুই দল। বিরাট কোহলি ঘুরিয়ে ‘প্রতারক’ বলেন স্মিথকে। এমন অভিযোগকে ‘জঘন্য’ বলে উড়িয়ে দেয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। গত পরশু আনুষ্ঠানিকভাবে স্মিথ ও পিটার হ্যান্ডসকোম্বের শাস্তির জন্য আইসিসির কাছে অভিযোগ পাঠিয়েছিল বিসিসিআই। আইসিসি ব্যাপারটা হালকা করে দেখায় ক্ষোভ জানিয়ে সুনীল গাভাস্কারের মতো কিংবদন্তি বলেছিলেন, ‘একেক দেশের জন্য একেক আইন হতে পারে না। কেউ বেশি সুবিধা পাবে কেউ কম, এটা কেমন কথা। পরের টেস্টে কোহলি যদি ড্রেসিংরুমের দিকে তাকিয়ে ডিআরএস নিতে চায়, তখন আইসিসি কী সিদ্ধান্ত দেয়, সেটা দেখব। ’

পরিস্থিতি আরো অগ্নিগর্ভ হওয়ার আগে সন্ধি করে বসল ভারত ও অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড। এ জন্য গত পরশু আলোচনায় বসেছিলেন বিসিসিআই প্রধান নির্বাহী রাহুল জোহরি আর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ড। এরপর আইসিসিতে চিঠি দিয়েও অভিযোগ তুলে নেয় বিসিসিআই।

এ নিয়ে রাহুল জোহরি জানান, ‘অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে মাঠের লড়াই সব সময় উপভোগ করেছে ভারত। বেঙ্গালুরু টেস্টে যা হয়েছে এটা নিয়ে বাইরে যুদ্ধ করলে আসল খেলাটায় প্রভাব পড়বে। তাই অভিযোগ তুলে নিয়েছি। ’ তাতে খুশি সাদারল্যান্ডও, ‘আমরা সামনের দিকে তাকাতে চাই। দুই দেশের সমর্থকদের কাছেই এই সিরিজ উত্তেজনার ও গর্বের। আমরা আলোচনা করে ঠিক করেছি এটা ধরে রাখতে গেলে মনোযোগটা ধরে রাখতে হবে সিরিজের ওপর, মাঠের বাইরে নয়। ’

রাঁচি টেস্টের আগে বড় ধাক্কা খেল অস্ট্রেলিয়া। চোটের জন্য ছিটকে গেছেন দলের সেরা পেসার মিচেল স্টার্ক। বেঙ্গালুরু টেস্টেই পায়ে ব্যথা পেয়েছিলেন এই বাঁহাতি পেসার। ম্যাচটি খেলেছিলেন ‘পেইনকিলার’ নিয়ে। গতকাল স্ক্যান করানোর পর পায়ের হাড়ে চিড় ধরা পড়ে তাঁর। তাই ঝুঁকি না নিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে স্টার্ককে। অস্ট্রেলিয়ান ফিজিও ডেভিড বিকলে জানালেন, ‘দ্বিতীয় টেস্টের সময় পায়ে ব্যথা পাচ্ছিল ও। ভেবেছিলাম বিশ্রাম পেলে সুস্থ হয়ে উঠবে। তবে পায়ের হাড়ে চিড় ধরা পড়ায় ওকে আমরা অস্ট্রেলিয়ায় রিহ্যাবে পাঠিয়ে দিয়েছি। এই সিরিজে আর পাওয়া যাবে না স্টার্ককে। ’

তাঁর বদলি হিসেবে এখনো নাম ঘোষণা হয়নি কারো। পিটিআই


মন্তব্য