kalerkantho


বার্সেলোনা বলেই সম্ভব

৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



২০১৫-এর নভেম্বর থেকে গত শনিবার সেল্তা ভিগোর ম্যাচ পর্যন্ত বার্সেলোনা মোট ২২টি ম্যাচে চারটি বা তার বেশি গোল করেছে, বলা বাহুল্য জিতেছে সবগুলোতেই। চ্যাম্পিয়নস লিগে ন্যু ক্যাম্পে শেষ তিন ম্যাচের কোনোটিতে তারা চারটির কম গোল করেনি—সেল্টিকের বিপক্ষে ৭-০, ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ৪-০ ও বরুশিয়া মুনশেনগ্লাডবাখের বিপক্ষে ৪-০। প্যারিস সেন্ত জার্মেইয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে অসম্ভব সম্ভব করার মতো এমন অনেক অনুপ্রেরণামূলক পরিসংখ্যানই খুঁজলে পাবেন বার্সা ভক্তরা।

তা ছাড়া এই মুহূর্তে বার্সার পক্ষে কথা বলছে লিওনেল মেসির ফর্ম, নেইমারের ফর্মে ফেরা, লা লিগায় টেবিলের শীর্ষে থাকা। কোচ লুইস এনরিকের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা একটু ভিন্নভাবে হলেও কাতালান ক্যাম্পে ইতিবাচক হাওয়াই তৈরি করেছে। নেইমারও সেই আত্মবিশ্বাসের কথাই বলেছেন, ‘এমন ম্যাচে মানসিকভাবে উদ্দীপ্ত থাকা, আত্মবিশ্বাসী থাকার বিকল্প নেই। এ মুহূর্তে আমরা সে অবস্থাতেই আছি। পুরো ম্যাচ আমরা দৌড়াব এবং লড়ে যাব—দেখাই যাক না শেষটা কী হয়। ’ শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে রিয়াল মাদ্রিদের কঠিন ম্যাচ আছে নাপোলির মাঠে, হারলেও অ্যাওয়ে গোলের সুবিধা নিতে মুখিয়ে নাপোলিটানরা। বরুশিয়া ডর্টমুন্ড বেনফিকার মাঠে হেরে এসেছে, তাদেরও হিসাব পাল্টে দিতে হবে, লিস্টারের মাঠে সেভিয়ার ম্যাচটিও কম আকর্ষণীয় হওয়ার কথা নয়। কিন্তু সব ছাপিয়ে আলোচনায় এখন ন্যু ক্যাম্পে পিএসজি-বার্সার লড়াই।

অন্য কোনো দল হলে দ্বিতীয় লেগটা স্রেফ আনুষ্ঠানিকতার হবে বলেই হিসাব চুকিয়ে ফেলা যেত। সেটি পারা যাচ্ছে না দলটি বার্সা বলেই, লা লিগায় শেষ দুই ম্যাচে তাদের ১১ গোল সম্ভাবনার পালে হাওয়া দিয়েছে।

মাদ্রিদভিত্তিক ক্রীড়া দৈনিক মার্কা তো এমন একটি বা দুটি নয়, দশটি কারণ খুঁজে বের করেছে যাতে ভর করে বার্সা পিএসজির ৪-০ স্কোরলাইন উল্টে দিতে পারে। যেমন, পিএসজির মাঠে বার্সাকে মনে হয়েছে ছোট দল, নিজেদের মাঠে কাতালানরা তাদের বড়ত্ব নিয়েই ফিরবে—এমনটাই আশা। প্রথম লেগের আগে লা লিগায় ধুঁকছিল তারা, কিন্তু এখন রিয়াল মাদ্রিদকে টপকে গেছে লুইস এনরিকের দল, সেটি বড় আত্মবিশ্বাসের জায়গা। মেসি ও নেইমার একসঙ্গে জ্বলেও উঠেছেন এই পিএসজি ম্যাচের আগে। এনরিকের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণার পরও দল হিসেবে তারা সেরা খেলাটা খেলছে আর এনরিকের অধীনে বার্সা ন্যু ক্যাম্পে কোনো চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচ হারেনি। মার্কা


মন্তব্য