kalerkantho


তুষারের পর অপেক্ষায় শাহরিয়ার

৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



তুষারের পর অপেক্ষায় শাহরিয়ার

ক্রীড়া প্রতিবেদক : জাতীয় দলে খেলেছেন সেই কবে! পাঁচ টেস্ট এবং ৪১ ওয়ানডে—দুই ফরম্যাটের সর্বশেষ ম্যাচ ২০০৭ সালে। এরপর ১০ বছর পেরিয়ে গেছে প্রায়। অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান তুষার ইমরানের ব্যাট চলতি মৌসুমে ঝলসে উঠেছে আবার। সেটি এমনভাবেই যে, তৈরি হচ্ছে রেকর্ডের পর রেকর্ড। এই তো কালই যেমন তৃতীয় ম্যাচে দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি করলেন তুষার।

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে তাঁর ব্যাটে এমন রানের ফল্গুধারা। এক ম্যাচ আগে বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে বিসিবি উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে করেন ২২০। কাল বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে ওয়ালটন মধ্যাঞ্চলের বিপক্ষে ২১৭। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সাকুল্যে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি হয়ে গেল তুষারের, যা বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ। শীর্ষে থাকা মোসাদ্দেক হোসেন ও অলক কাপালির সিংহাসনের ভাগীদার হলেন এখন তুষার।

১০১ রান নিয়ে কাল দ্বিতীয় দিন ব্যাটিং করতে নামেন তিনি।

সেঞ্চুরিয়ান অন্য সতীর্থ মোহাম্মদ মিঠুন বেশিক্ষণ টেকেননি। আগের দিনের ১২৭-এর সঙ্গে চার রান যোগ করেই আউট। কিন্তু তুষার তাঁর ইনিংস টেনে নিয়েছেন অবিচল আস্থায়। সাড়ে সাত ঘণ্টার বেশি ক্রিজে থেকে ৩৪০ বল খেলে করেন ২১৭ রান। যে ইনিংসে আলো ছড়াচ্ছে ২১টি বাউন্ডারি। ২১৭ রান করার পর মার্শাল আইয়ুবের বলে সাইফ হাসান ক্যাচ নিলে থেমে যায় তুষারের ইনিংস।

আগের দিন যেমন মিঠুন, কাল তেমনি তিনি সমর্থন পান শাহরিয়ার নাফীসের। চতুর্থ উইকেটে এ দুজন জুড়ে দেন ২১৫ রান। তুষারের পদাঙ্ক অনুসরণে ডাবল সেঞ্চুরির আশা বাঁচিয়ে রেখেছেন নাফীস। ১৭০ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। বিকেএসপির এই ম্যাচটি রয়েছে নিশ্চিত ড্রয়ের পথে। আগে ব্যাটিং করা দক্ষিণাঞ্চলের ইনিংসই যে শেষ হয়নি এখনো! ৮ উইকেটে ৭০১ রান তাদের।

বিসিএলের অন্য ম্যাচে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে বিসিবি উত্তরাঞ্চল। পাঁচ উইকেটে ৩০৫ রান নিয়ে কাল দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে তারা। অলআউট হয় ৩৭৪ রানে। এরপর ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চল ১৯২ রানে হারিয়ে বসে ৭ উইকেট। এর মধ্যে পাঁচ ব্যাটসম্যানই শফিউল ইসলামের শিকার।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (দ্বিতীয় দিন শেষে) : দক্ষিণাঞ্চল-মধ্যাঞ্চল : দক্ষিণাঞ্চল : ১৮০ ওভারে ৭০১/৮ (তুষার ২১৭, নাফীস ১৭০*, মিঠুন ১৩১; শুভাগত ৩/২০২)। উত্তরাঞ্চল-পূর্বাঞ্চল : উত্তরাঞ্চল : ১১১.৩ ওভারে ৩৭৪ (ফরহাদ ১০৮, জুনায়েদ ৮৪, ধীমান ৪৭; সাইফুদ্দিন ৪/৫৫, হাসান ৩/৮৫)। পূর্বাঞ্চল : ৬১ ওভারে ১৯২/৭ (সাইফুদ্দিন ৩৫*; শফিউল ৫/৫৬)।


মন্তব্য