kalerkantho


চলে গেলেন রেমন্ড কোপা

৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



চলে গেলেন রেমন্ড কোপা

ফ্রান্সের প্রথম ব্যালন ডি’অর জয়ী তিনি। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে জিতেছেন টানা তিনটি ইউরোপিয়ান কাপ। ১৯৫৮ বিশ্বকাপ—যে আসর তরুণ পেলের দ্যুতিতে ভাস্বর হয়ে আছে, সেই আসরেরও অন্যতম সেরা ফুটবলার ছিলেন রেমন্ড কোপা। ফ্রান্স ও রিয়ালের কিংবদন্তি এই ফুটবলার ৮৫ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে পাড়ি দিলেন অজানার উদ্দেশে। কাল ফ্রান্সের সময় সকাল ৮টায় অ্যানজারসে নিজের বাড়িতে শেষবারের মতো চোখ বুজেছেন কিংবদন্তি এই প্লে-মেকার।

১৭ বছর বয়সে অ্যানজারসেই ক্যারিয়ার শুরুর আগে সেখানকার একটি কয়লাখনিতে কাজ করতেন কোপা। পোল্যান্ড থেকে এসে ফ্রান্সে স্থায়ী হয়েছিলেন তাঁর মা-বাবা। কাল কোপার মৃত্যুর খবর জেনে শোক বার্তা দিয়েছেন ফ্রান্সের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ফ্রাসোঁয়া ওলাদ। ফ্রান্স ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি বলেছেন, ‘কোপার মৃত্যু ফ্রান্সের ফুটবলের জন্যই বড় এক শূন্যতা। কিংবদন্তি ফুটবলার ছিলেন তিনি। ’ কোপা ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সময়টাই কাটিয়েছেন রেইমসে।

১৯৫১ থেকে ১৯৬৭ পর্যন্ত, শুধু মাঝখানের তিনটি বছর ছাড়া। ১৯৫৬-এর ইউরোপিয়ান কাপ ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে যায় তাঁর দল। পরের মৌসুমে রিয়ালই কিনে নেয় তাঁকে। আলফ্রেদো দি স্তেফানোর সেই দলের হয়েই তাঁর প্রথম ইউরোপিয়ান কাপ জয়। পরের টানা দুই বছরও একই কীর্তি। ১৯৫৮-তে রিয়ালের হয়ে দ্বিতীয় ইউরোপিয়ান কাপ জয়ের বছরেই সুইডেন বিশ্বকাপে ফ্রান্সের হয়ে সেমিফাইনাল খেলেন কোপা। হেরে যান তারা পেলের ব্রাজিলের কাছেই, যে ম্যাচে হ্যাটট্রিকও করেছেন পেলে। তবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে পশ্চিম জার্মানিকে হারায় ফ্রান্স। সে বছরই ব্যালন ডি’অর ওঠে তাঁর হাতে। ফ্রান্স ম্যাগাজিনের দেওয়া এই পুরস্কার প্রথম ফ্রেঞ্চ ফুটবলার হিসেবে হাতে তোলেন কোপা। কিছুদিন আগে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর চতুর্থ ব্যালন ডি’অর জয়ের অনুষ্ঠানে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতেও ছিলেন ফ্রেঞ্চ কিংবদন্তি। আজ আর তিনি কোথাও নেই। কিন্তু ফুটবল পিপাসুদের স্মৃতিতে নিশ্চয় উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন এই প্লে-মেকার। মার্কা


মন্তব্য