kalerkantho


মৃত্যুর মুখ থেকে তরেসের ফিরে আসা

৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



মৃত্যুর মুখ থেকে তরেসের ফিরে আসা

আর একটু হলেই মার্ক ভিভিয়ান ফো’র ভাগ্য বরণ করতে হতো ফের্নান্দো তরেসকেও। খেলতে খেলতে ফুটবল মাঠেই মৃত্যু, এমন করুণ পরিণতি হয়েছে অনেকেরই।

তালিকাটা লম্বা হতে পারত তরেসকে দিয়ে। বেঁচে গেলেন ঈশ্বরের কৃপায় আর ডাক্তারদের তৎপরতায়। লা লিগায় দেপোর্তিভো লা করুনার বিপক্ষে ম্যাচে অ্যালেক্স বারগান্তিনোসের সঙ্গে ধাক্কা লেগে পড়ে গিয়ে মাঠেই অচেতন হয়ে পড়েন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। অতঃপর স্ট্রেচারে করে বাইরে নিয়ে যাওয়া, অ্যাম্বুল্যান্স, জরুরি বিভাগ—সব মিলিয়ে স্নায়ুর চাপে ভোগানো কয়েকটা ঘণ্টার পর সবশেষ খবর হচ্ছে, অবস্থা আশঙ্কাজনক নয় তাঁর। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও ছেড়ে দিয়েছে তাঁকে। এখন দরকার কমপক্ষে ৪৮ ঘণ্টার পূর্ণ বিশ্রাম।

ম্যাচঘড়ির কাঁটায় তখন ৮৪ মিনিট। হাওয়ায় ভেসে আসা বলের দখল নিতে তরেস আর বারগান্তিনোসের ‘এরিয়াল চ্যালেঞ্জ’। সংঘর্ষের পর মাঠেই অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন তরেস, সঙ্গে সঙ্গে দুই দলের ফুটবলাররাই ছুটে আসেন তাঁর তত্ত্বাবধানে।

তখনই তাঁকে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়, এরপর অ্যাম্বুল্যান্সে হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার রাতটা হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে থাকার পর শুক্রবার (স্থানীয় সময়) সকালে তাঁকে ছেড়ে দিয়েছেন ডাক্তাররা। তরেসের চোট নিয়ে শঙ্কিত কোচ ডিয়েগো সিমিওনে জানালেন, ডাগআউটে বসেও নাকি শুনেছেন হাড়ে হাড়ে ঠোকাঠুকির আওয়াজ, ‘ডাগআউটে বসেই শব্দটা পেয়েছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না, তার কি ঘাড় ভাঙল, না কী হলো! শুধু দেখলাম সে পড়ে গেল। খুব ভয় পেয়েছিলাম। ’

যদিও সুখবর এই যে সিমিওনের আঁতকে ওঠার মতো কোনো দুঃসংবাদ আসেনি হাসপাতাল থেকে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণেই জানা গিয়েছিল, মেরুদণ্ড বা মাথায় বড় কোনো চোট পাননি তরেস। তবু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাঁকে রাতটা হাসপাতালেই ভর্তি রাখা হয়। সকালে ক্লাবের টুইটার অ্যাকাউন্টে জানানো হয়েছে, ‘তরেসের অবস্থা এখন স্থিতিশীল এবং ভালো। তাঁর সিটি স্ক্যান করানো হয়েছে। কোনো চোট ধরা পড়েনি। ’ তরেসের হাসপাতাল ছাড়ার ছবিও দিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ, সেই সঙ্গে তরেসের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছাবার্তাও, ‘আমাকে নিয়ে যাদের দুশ্চিন্তা ছিল, যারা আমাকে ভালো হয়ে ওঠার বার্তা পাঠিয়েছেন, সবাইকে ধন্যবাদ। স্রেফ একটু আঁচড় লেগেছে মাত্র। তাড়াতাড়িই মাঠে ফিরব। ’ বিবিসি, টুইটার


মন্তব্য