kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

পেনাল্টি কর্নারই আমাদের শক্তি

৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



পেনাল্টি কর্নারই আমাদের শক্তি

আজ থেকে শুরু হচ্ছে ওয়ার্ল্ড হকি লিগের রাউন্ড টু। ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক এই আসর নিয়ে হকি অঙ্গন এখন জমজমাট। বাংলাদেশ দলও তাকিয়ে আছে একটা ভালো ফলের আশায়। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অধিনায়ক রাসেল মাহমুদ কথা বলেছেন সে প্রসঙ্গেই—

 

প্রশ্ন : প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে আপনারা কতটা তৈরি হতে পেরেছেন?

রাসেল মাহমুদ : শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ তিনটি আমাদের জন্য অনেক জরুরি ছিল। যে ভুলগুলো ছিল সেগুলো আমরা ভিডিও সেশনের মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করেছি। যার ফল আমরা পেয়েছি শেষ ম্যাচে। ওই ম্যাচে যে ভুলগুলো ছিল সেটির ওপর আজ (গতকাল) আবার ভিডিও সেশন হয়েছে এবং সে অনুযায়ী আজ অনুশীলনও হবে।

প্রশ্ন : প্রথম ম্যাচেই মালয়েশিয়ার মুখোমুখি আপনারা, এই ম্যাচ নিয়ে কেমন প্রত্যাশা?

রাসেল : মালয়েশিয়া শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। ওদের বিপক্ষে ভালো খেলাই আমাদের লক্ষ্য। ওদের ফেভারিট ধরে গ্রুপে রানার্স-আপ হওয়া আমাদের প্রথম লক্ষ্য।

প্রশ্ন : প্রথম ম্যাচের পারফরম্যান্সের প্রভাব থাকবে নিশ্চয় পুরো টুর্নামেন্টে?

রাসেল : তা তো অবশ্যই, মালয়েশিয়ার সঙ্গে ভালো করতে পারলে আমরা মানসিকভাবে এগিয়ে থাকব।

দলের আত্মবিশ্বাসও বাড়বে। বাকিটা আমাদের পারফরম্যান্সের ওপরে, আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী যতটুকু খেলতে পারব, সে অনুযায়ীই ফল পাব।

প্রশ্ন : প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে পেনাল্টি কর্নারে আপনারা ভালো করেননি...

রাসেল : পেনাল্টি কর্নারেই আমাদের শক্তি। তবে ঘানার বিপক্ষে ম্যাচগুলোতে আমরা সেভাবে তা ব্যবহার করতে পারিনি। টুর্নামেন্টে সেটা হওয়া যাবে না।

প্রশ্ন : কী পরিকল্পনা আমাদের পেনাল্টি কর্নার নিয়ে?

রাসেল : টুর্নামেন্টে পিসির সুযোগ আসবে। সেগুলো সঠিকভাবে কাজে লাগানোর ওপর নির্ভর করবে অনেক কিছু। তবে প্রতিটি দলের সঙ্গে আমাদের গোলের পার্থক্যগুলোই বলে পিসিতে আমরা কতটা ভালো করেছি। দলের পিসি স্পেশালিস্ট আশরাফুল, চয়ন (মামুনুর রহমান), খোরশেদ—ওদের কাছে আমরা গোল আশা করি।

প্রশ্ন : ঘরের মাঠে এবারের টুর্নামেন্ট, এটা আপনাদের কতটা সুবিধা দেবে?

রাসেল : অবশ্যই ঘরের মাঠে খেলা স্বাগতিকদের এগিয়ে রাখে। আশা করি অনেক দর্শক মাঠে আসবে। আমাদের খেলোয়াড়দের মানসিকতাও তেমনই যে ঘরের মাঠে সবাই নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলব। এখানে যদি আমরা খারাপ ফল করি তবে সেটা নিজেদের জন্য এবং হকির জন্যই খারাপ হবে। যেহেতু এই মাঠে অনেক দিন ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছি, তাতে আশা আছে মাঠে আমরা শতভাগই দিতে পারব।

প্রশ্ন : দিল্লিতে এই আসরেই সেরা মিডফিল্ডার হয়েছিলেন, এবার কী লক্ষ্য?

রাসেল : বাংলাদেশকে তৃতীয় রাউন্ডে ওঠানোই মূল লক্ষ্য। ব্যক্তিগত অর্জনের বিষয়টি গৌণ। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ দুর্দান্ত হকি খেলেছিল। এর প্রেক্ষিতে আমি সেরা মিডফিল্ডার হয়েছিলাম ওই গ্রুপে। এবারও আশা করি সে রকম কিছু হবে।


মন্তব্য