kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

নতুন খেলোয়াড় তুলে আনায় আমার আনন্দ

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



নতুন খেলোয়াড় তুলে আনায় আমার আনন্দ

কামাল বাবু দেশের শীর্ষ লিগে চমক দেখান আবার সুযোগ পেলেই নিচের সারির কোনো লিগে নেন নতুন চ্যালেঞ্জ। পেশাদার লিগের নতুন মৌসুমের আগে এবার যেমন নবাবপুর ক্রীড়া চক্রের দায়িত্ব নিয়ে তাদের তুলে দিয়েছেন প্রথম বিভাগে। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে সে প্রসঙ্গেই কথা বলেছেন ঘরোয়া লিগের আলোচিত এই কোচ

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : নবাবপুরকে এর মধ্যেই প্রথম বিভাগে তুলে দিয়েছেন, তবে কসাইটুলির সঙ্গে এখনো শিরোপার মীমাংসাটা বাকি আছে, সেটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ আপনার জন্য?

কামাল বাবু : নিচের দিকের লিগগুলোয় মূল লক্ষ্যই থাকে দলটাকে আগে ওপরের লিগে তুলে দেওয়া। সেই আসল লক্ষ্য আমার পূরণ হয়েছে। কিন্তু চ্যাম্পিয়নশিপের ব্যাপারটা এমন যে এর আকর্ষণ কোনো কোচের পক্ষেই এড়ানো সম্ভব না। আমিও তাই কসাইটুলির বিপক্ষে প্লে-অফটা খেলতে মুখিয়ে আছি। আসলে লিগের শুরুতে আমরাই শীর্ষে ছিলাম। মাঝখানে দু-একটা ম্যাচ খারাপ করায় সুযোগটা পেয়েছে ওরা।

প্রশ্ন : সমান পয়েন্ট, সমান জয়, ড্র, হার নিয়ে আপনারা লিগ শুরু করেছেন, কিন্তু শিরোপার লড়াইটা কি এই দুই দলের মধ্যেই ছিল?

কামাল : মোটেও না। অন্তত চার-পাঁচটি দল লড়াই করেছে শিরোপা জয় ও প্রথম বিভাগে ওঠার জন্য। আমরা মাঝখানে একমাত্র যে ম্যাচটি হারলাম, তা টঙ্গী ক্রীড়া চক্রের কাছে।

ওরা ভালোভাবেই ছিল শিরোপা লড়াইয়ে। আমাদের চেয়ে মাত্র ১ পয়েন্টে পিছিয়ে থেকে ওরা লিগ শেষ করেছে। দারুণ লড়াইয়ে ছিল পূর্বাচল পরিষদ ও আজমপুর। আমাদের কোনো ম্যাচই বলতে গেলে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ ছিল না।

প্রশ্ন : প্রিমিয়ার লিগের অবসরে নিচের সারির লিগগুলোতে যে কাজ করেন, এটা আপনি কতটা উপভোগ করেন?

কামাল : আমি তৃণমূল থেকেই শীর্ষ পর্যায়ে উঠেছি। অনূর্ধ্ব-১২, পাইওনিয়ার, দ্বিতীয় বিভাগ, প্রথম বিভাগ, চ্যাম্পিয়নশিপ হয়ে আমি এখন প্রিমিয়ার লিগের কোচ। আগে শেরে বাংলা কাপ, সোহরাওয়ার্দী কাপেও কাজ করেছি। একমাত্র জাতীয় দল বাদে দেশের ফুটবলে বলতে গেলে সব পর্যায়েই আমার কাজ করা হয়ে গেছে। এই যে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়া—এটা আমি উপভোগ করি।

প্রশ্ন : শীর্ষ পর্যায়ে থিতু হওয়া, পুরো মনোযোগটা সেখানেই ঢেলে দেওয়া—এমন ভাবনা কখনো আসেনি?

কামাল : ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই আমি ছোট দলগুলোকে নিয়ে কাজ করি। প্রিমিয়ার লিগেও দেখবেন হাই প্রোফাইল দলে আমি কখনো ছিলাম না। ছোট দলগুলোতে লো প্রোফাইল খেলোয়াড়দের নিয়ে কাজ করাটাই আমি পছন্দ করি। দামি খেলোয়াড় নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার চেয়ে প্রতি বছর ৫-১০ জন করে নতুন খেলোয়াড় তুলে আনায় আমি আনন্দ পাই। গত লিগে যেমন এক লাখ ৪০ হাজার টাকা দিয়ে নয়নকে নিয়েছিলাম। সামনের দলবদলে ও-ই পাচ্ছে ২৫ লাখ টাকা।


মন্তব্য