kalerkantho


আবার এগিয়ে গেল প্রোটিয়ারা

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ওয়েলিংটনের ম্যাচের আগে সতীর্থদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। প্রবল চাপের মুখে দারুণ কার্যকর হাফসেঞ্চুরিতে সেই পথটাও দেখিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়কই। ডি ভিলিয়ার্সের ঝোড়ো হাফসেঞ্চুরিতে নিউজিল্যান্ডের সামনে ২৭২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুড়ে দেয় প্রোটিয়ারা। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকার পেস চতুষ্টয়, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস-কাগিসো রাবাদা-ওয়েইন পারনেল-আন্দিলে ফেলুকওয়ায়োর বোলিং তোপে কিউই ইনিংস গুটিয়ে গেছে মাত্র ১১২ রানে। সুবাদে ১৫৯ রানের বড় জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-১-এ এগিয়ে গেছে এবি ডি ভিলিয়ার্সের দল।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে হাশিম আমলা ৭ রানে ফিরলেও ডি কক ও ফাফ দু প্লেসিসের হাফসেঞ্চুরির জুটিতে কক্ষপথেই ছিল প্রোটিয়ারা। কিন্তু মিডল অর্ডারে বড় একটা ধস নামলে অল্প রানে আটকে পড়ার ভয়ও ধরে যায় এবি ডি ভিলিয়ার্সের মনে। যদিও সাতটি চার ও একটি ছক্কায় খেলা ৮৫ রানের ধৈর্যশীল এক ইনিংসে দলের স্কোর ২৫০ পার করে দিয়েছেন প্রোটিয়া অধিনায়কই। ম্যাচজয়ী হাফসেঞ্চুরিতে ওয়ানডেতে দ্রুততম ৯ হাজার রানের রেকর্ড গড়েন ডি ভিলিয়ার্স।

জবাবে পেস-সহায়ক স্লোয়ার উইকেটে নিউজিল্যান্ডের শুরুটা হয়েছিল দুঃস্বপ্নের মতো। তিন ওভারের মধ্যে ফিরে আসেন দুই ওপেনার—টম লাথাম ও ডিন ব্রাউনলি।

হাশিম আমলা প্রথম স্লিপে কেন উইলিয়ামসনের ক্যাচ না ফেললে তাঁদের অবস্থা আরো বাজেই হতো। জীবনটা যদিও কাজে লাগাতে পারেননি তিনি, ২৩ রানে থেমে গেছেন কিউই অধিনায়ক। পরের ওভারে আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান রস টেলরও তাঁকে অনুসরণ করলে খাদের কিনারে চলে যায় স্বাগতিকরা। ওই বিপর্যয় কাটিয়ে আর সঠিক কক্ষপথেও ফিরতে পারেনি ক্রাইস্টচার্চে ৬ রানের শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে সিরিজে সমতা ফেরানো নিউজিল্যান্ড। ক্রিকইনফো

দক্ষিণ আফ্রিকা : ৫০ ওভারে ২৭১/৮ (ডি ভিলিয়ার্স ৮৫, ডি কক ৬৮; গ্র্যান্ডহোম ২/৪০)।

নিউজিল্যান্ড : ৩২.২ ওভারে ১১২ ( গ্র্যান্ডহোম ৩৪*; প্রিটোরিয়াস ৩/৫)।

ফল : নিউজিল্যান্ড ১৫৯ রানে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ : এবি ডি ভিলিয়ার্স।


মন্তব্য