kalerkantho


প্রোটিয়াদের জয়যাত্রা থামালেন টেলর-বোল্ট

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



অজেয় হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। টানা ১২ ওয়ানডে জিতে ফিরে পেয়েছে ওয়ানডে র্যাংকিংয়ের মুকুটও।

এক বছর পর তাদের জয়যাত্রা থামাল নিউজিল্যান্ড। গতকাল ক্রাইস্টচার্চে রস টেলরের রেকর্ড সেঞ্চুরি আর ট্রেন্ট বোল্টের ৩ উইকেটে প্রোটিয়াদের ৬ রানে হারিয়েছে তারা। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের ২৮৯ রানের জবাবে প্রোটিয়ারা থামে ২৮৩-তে। টানা ১২ ম্যাচ পর এবি ডি ভিলিয়ার্সদের এই হারে সিরিজে এখন ১-১ সমতা।

চোখে অস্ত্রোপচারের পর বলটা ভালোই দেখছেন টেলর। গত সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেঞ্চুরিতে ছুঁয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের হয়ে নাথান অ্যাস্টলের সবচেয়ে বেশি ১৬ ওয়ানডে সেঞ্চুরির রেকর্ড। গতকাল শেষ বলের বাউন্ডারিতে পাওয়া সেঞ্চুরিতে ছাড়িয়ে গেলেন শৈশবের নায়ককে। সেই সঙ্গে পূরণ করেছেন টেস্ট খেলুড়ে সব প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি পাওয়ার বৃত্তটাও। পাশাপাশি রেকর্ড গড়েছেন কিউই ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দ্রুততম ৬ হাজার রানের মাইলফলকে পা রাখারও।

উইলিয়ামসনের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে টেলরের ১০৪ রানের জুটিতে বড় স্কোরের ভিত পায় কিউইরা। উইলিয়ামসন ৭৫ বলে ৬৯ করে ফিরলেও টেলর শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ১১০ বলে ৮ বাউন্ডারিতে ১০২ রানে। পঞ্চম উইকেটে তাঁর সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ১২৩ রানের জুটি গড়া জিমি নিশাম অপরাজিত ছিলেন ৫৭ বলে ৭১ রানে।

২৯০ রানের লক্ষ্যে একটা সময় ২ উইকেটে ১০৮ করে ফেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এর পরই ট্রেন্ট বোল্ট, মিচেল স্যান্টনারের আঘাত। তাতেই ২১৪ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা। কুইন্টন ডি কক (৫৭) আর এবি ডি ভিলিয়ার্সকে (৪৫) ফিরিয়ে মেরুদণ্ডটা ভেঙে দেন বোল্ট। তবে সেখান থেকেই ঘুরে দাঁড়িয়ে আন্দিলো ফিকোয়াওকে নিয়ে নবম উইকেটে ৬১ রানের জুটিতে আশা জাগিয়েছিলেন ডোয়াই প্রিটোরিয়াস। মাত্র ২৬ বলে ফিফটি করেছিলেন প্রিটোরিয়াস। শেষ ১২ বলে জয়ের জন্য ২০ রান দরকার ছিল প্রোটিয়াদের। ৪৯তম ওভারের শেষ বলে অসাধারণ ইয়র্কারে প্রিটোরিয়াসকে বোল্ড করে কিউইদের ম্যাচে ফেরান বোল্ট। শেষ ওভারের শেষ দুই বলে ফিকোয়াও দুটি বাউন্ডারি মারলেও জেতাতে পারেননি দলকে। ক্রিকইনফো

নিউজিল্যান্ড : ৫০ ওভারে ২৮৯/৪ (টেলর ১০২*, নিশাম ৭১*; প্রিটোরিয়াস ২/৪০)। দ. আফ্রিকা : ৫০ ওভারে ২৮৩/৯ (ডি কক ৫৭, প্রিটোরিয়াস ৫০; বোল্ট ৩/৬৩)। ফল : নিউজিল্যান্ড ৬ রানে জয়ী। ম্যাচসেরা : রস টেলর।


মন্তব্য