kalerkantho


শ্রীলঙ্কায় টেস্ট জয় চান তাসকিন

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



শ্রীলঙ্কায় টেস্ট জয় চান তাসকিন

ক্রীড়া প্রতিবেদক : যে সিরিজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জয় পেল বাংলাদেশ, সেটিতেই তাসকিন আহমেদকে অভিষেক করিয়ে দেওয়ার একটি আলোচনা উঠেছিল। কিন্তু চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে ইংলিশদের সঙ্গে বিসিবি একাদশের দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ চলার সময় সে আলোচনায় জল ঢেলে দিয়েছিলেন চন্দিকা হাতুরাসিংহে। বাংলাদেশ দলের শ্রীলঙ্কান এই হেড কোচ সেই সময় বলেছিলেন, লম্বা সময় ধরে দীর্ঘ পরিসরের ম্যাচ না খেলা তরুণ ফাস্ট বোলারের ক্যারিয়ার তিনি শেষ করে দিতে চান না। এ জন্যই তখন তাসকিনের টেস্ট খেলা হয়নি, পাওয়া হয়নি জয়ের স্বাদও।

অবশ্য কোচের ইচ্ছাতেই নিউজিল্যান্ডে পরের সিরিজে তাঁর টেস্ট অভিষেক। এ পর্যন্ত তিনটি টেস্টও খেলে ফেলেছেন। এর তিনটিতেই বাংলাদেশের হারের বেদনায় বিলীন হওয়াটা বোধহয় একটু বেশিই ছুঁয়ে গেছে তাসকিনকে। যেজন্য জয়ের স্বাদ পেতে যেন মরিয়াই হয়ে উঠেছেন তিনি। গতকাল সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে স্পষ্ট হয়ে উঠল সেটিই। জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কা সফরকেই যে পাখির চোখ করেছেন, এই কথায় তাও বুঝতে বাকি থাকেনি, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি খুব খুশি। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, দুঃখজনকভাবে আমার খেলা তিনটি টেস্টেই হেরেছি।

আশা করছি, সামনে সব কিছু ভালোই হবে। এমন প্রত্যাশা নিয়েই শ্রীলঙ্কায় যাব। ’ নিউজিল্যান্ডে চালকের আসনে থেকেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। সে জন্য নিজেদের ভুলকেই দুষেছে তারা। ভারতে একমাত্র টেস্টের সফরে সেই ভুল শুধরে নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও শোনা গিয়েছিল। যদিও সবক্ষেত্রেই এর বাস্তবায়ন দেখা যায়নি। শ্রীলঙ্কা সফরেও আগের ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি চান না তাসকিন, ‘শেষ কয়েকটি সিরিজের ভুলগুলো সামনে শোধরাতে চাই। সেটা পারলে আশা করি শ্রীলঙ্কায় ভালো ফলাফল হবে। আমিও ব্যক্তিগতভাবে শ্রীলঙ্কায় ভালো কিছু করতে চাই। ’ সেই লক্ষ্য নিশ্চয়ই দলের অন্য পেসারদেরও আছে। আর এবার দলে পেসারও পাঁচজন। মুস্তাফিজুর রহমানের পাশাপাশি দলে ফিরেছেন রুবেল হোসেনও। তাসকিনের মতো দলে আগে থেকেই আছেন কামরুল ইসলাম রাব্বি ও শুভাশীষ রায়। এবার একাদশে জায়গা পাওয়ার লড়াইটা তাই বেশ শক্তই হবে। তা নিয়ে তাসকিনের দৃষ্টিভঙ্গিটা এরকম, ‘প্রতিযোগিতা থাকবেই। প্রতিযোগিতা যত বেশি থাকবে, বাংলাদেশের পেস বিভাগ তত শক্ত হবে। কে খেলবে আর কে খেলবে না, সেটা নিয়ে ভাবছি না। আমরা নিজেদের সেরাটা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। সুযোগ পেলে আমরা আমাদের সেরাটাই উজাড় করে দেব। ’ নিজের ফিটনেসের অবস্থা নিয়েও সন্তুষ্টি ঝরল তাসকিনের কণ্ঠে, ‘প্রতি ম্যাচেই আমি ৩০ ওভার, ৩৫ ওভার করে বোলিং করেছি। আগের চেয়ে অবস্থা ভালো না হলে এটা করতে পারতাম না। এভাবে চলতে থাকলে আশা করি, সামনে আরো বেশি বোলিং করতে পারব। ’


মন্তব্য