kalerkantho


ফিটনেসের কারণেই পাঁচ পেসার!

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ফিটনেসের কারণেই পাঁচ পেসার!

ক্রীড়া প্রতিবেদক : নিউজিল্যান্ড সফরের স্কোয়াডটি ছিল ২৩ জনের। একের পর এক ক্রিকেটার ইনজুরিতে পড়ায় তাঁদের অনেককে মাঠে নামিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে বাংলাদেশ।

দূরের নিউজিল্যান্ডের পর এবার কাছের শ্রীলঙ্কায় যাচ্ছে দল। বহরটা তবু খুব ছোট হচ্ছে না। দুই টেস্টের জন্য ১৬ সদস্যের দল, সঙ্গে ইমরুল কায়েস ফিটনেস ফিরে পেলে দ্বিতীয় টেস্টের দলে অন্তর্ভুক্ত হবেন। তবে ফিটনেস নিয়ে নির্বাচকদের ভাবনাটা পরিষ্কার বোঝা যায়নি। কালকের সংবাদ সম্মেলনে দুই পাশে দুই সতীর্থকে নিয়ে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীনের কথাতে নেই স্পষ্ট কোনো মানদণ্ড।

ইমরুলকে যেমন রাখা হয়নি ফিটনেসের কারণে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের সামনের দুই রাউন্ডে তাঁকে দিতে হবে ম্যাচ ফিটনেসের পরীক্ষা। তবেই কেবল দ্বিতীয় টেস্টে এই ওপেনার অন্তর্ভুক্ত হবেন বলে জানান মিনহাজুল। শফিউল ইসলামকে বাদ দেওয়াতেও ওই ফিটনেসের কথাই বলেছেন তিনি।

সেখানে ফিটনেসের গুরুত্বের কথা জোর গলায় মনে করিয়ে দেন প্রধান নির্বাচক, ‘আমরা ওর ফিটনেস নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নই। সমস্যা হচ্ছে, এখানে ফিট দেখে আমরা নিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু ওখানে গিয়ে সমস্যা হচ্ছে। এই মুহূর্তে ফিটনেসের ব্যাপারে আমরা অধিক মাত্রায় গুরুত্ব দিয়েছি। পুরোপুরি সুস্থ না হলে তাদের নিয়ে যাওয়া খুব কঠিন ব্যাপার। ’ ওদিকে স্কোয়াডে পাঁচজন পেসার রেখেছেন তিনি। সেখানে আবার বলেছেন, লম্বা সফরে পেসারদের ফিটনেস ধরে রাখা কঠিন।

ফিটনেসকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার বলেও আবার পেসারদের ক্ষেত্রে যেন কিছুটা শৈথিল্য। নির্বাচক হিসেবে নিজেদের দুর্ভাগা ভাবতেই পারেন মিনহাজুল। একইসঙ্গে যে ফিজিওর চোখ দিয়েও ক্রিকেটারদের পরখ করতে হচ্ছে। অবশ্য নিজেকে সে কারণে দুর্ভাগা মনে হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নে ওই পাঁচ পেসার রাখার যৌক্তিকতাই তুলে ধরেন প্রধান নির্বাচক, ‘একটা দলের পাঁচটা সিম বোলারকে সব সময় নজরে রাখতে হয়। বিদেশের মাটিতে আমরা তিনজন সিমার তো একাদশে খেলাই। শ্রীলঙ্কার কন্ডিশনে অনেক আর্দ্রতা থাকে। সেভাবে চিন্তা করে বোলারদের ফিটনেস লেভেল দেখতে হবে। ’ তাসকিন আহমেদকে নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও মোটা দাগে পেসারদের নিয়ে উদ্বেগ লুকাননি মিনহাজুল, ‘আমাদের কোনো পেস বোলার ঘরোয়া ক্রিকেটে ২৫-৩০ ওভার বোলিং করে না। ইদানীং তা শুরু করেছে। এবারের বিসিএলে করেছে। আগে ওরা ১০ ওভার পর আর বোলিং করার শক্তি পেত না। এখন বেশি পেসার নিয়ে ওদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো হচ্ছে। রানিং ফিটনেস, স্কিল ফিটনেস বাড়ানো হচ্ছে। সে কারণেই বেশি পেসার নেওয়া হচ্ছে। ’


মন্তব্য