kalerkantho


প্রত্যাবর্তনের গল্পও আছে

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



প্রত্যাবর্তনের গল্পও আছে

প্যারিস সেন্ত জার্মেইর কাছে বার্সেলোনার প্রথম লেগেই ৪-০ ব্যবধানে হারের খবরে যাঁরা মুষড়ে পড়েছেন, ন্যু ক্যাম্পের ফিরতি লেগকে যাঁরা নিছক আনুষ্ঠানিকতা মনে করছেন এখন, তাঁদের মনে আশার আলো জ্বালতে পারে অতীত। ৪ গোলের ফারাক মিটিয়ে জেতার ইতিহাস হয়তো হয়নি, তবে ৩ গোলে পিছিয়ে থেকেও জেতার কৃতিত্ব কিন্তু আছে। আর ইউরোপিয়ান কাপ বা চ্যাম্পিয়নস লিগে এমন নজির না থাকলেও দ্বিতীয় লেগে ৪ গোলের ব্যবধান দূর করে ইউরোপিয়ান অন্যান্য টুর্নামেন্টে জয়ের কীর্তি আছে অনেক দলের।

১৯৬১-৬২ মৌসুমের ইউরোপিয়ান কাপ উইনার্স কাপই যেমন। প্রথম রাউন্ডের প্রথম লেগে লা চুস-দ্য-ফন্দস ৬-২ গোলে হারিয়েছিল লিয়েক্সকে। দ্বিতীয় লেগে লিয়েক্সে কিন্তু জিতে যায় ৫-০ ব্যবধানে। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুমের উয়েফা কাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্স ৬-২ গোলে হারিয়েছিল পার্তিজানকে। ফিরতি লেগে পার্তিজান জিতেছিল ৪-০ ব্যবধানে। বার্সেলোনার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদেরও আছে এমন কীর্তি। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমের উয়েফা কাপের তৃতীয় রাউন্ডে বরুশিয়া মুনশেনগ্লাডবাখ প্রথম লেগে ৫-১ গোলে হারিয়েছিল রিয়ালকে। ফিরতি লেগে রিয়াল জিতেছিল ৪-০ ব্যবধানে! ম্যাচটি শেষে উচ্ছ্বাসে ভেসে রিয়ালের স্প্যানিয়ার্ড ফরোয়ার্ড জুনিতো বলেছিলেন, ‘স্পেনের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ খেলেছি।

মাদ্রিদের জার্সিতে জিতেছি মর্যাদার অনেক শিরোপা। কিন্তু এই জয়ের চেয়ে বেশি আনন্দ পাইনি আর কখনো। ’

চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে এ ধরনের প্রত্যাবর্তনের গল্প আছে ২০০৩-০৪ মৌসুমে। সেবার প্রথম লেগে ৪-১ গোলে জিতে সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে রেখেছিল এসি মিলান। কিন্তু ফিরতি লেগে ৪-০ ব্যবধানের জয়ে শেষ চারের টিকিট পায় দেপোর্তিভো! একই মৌসুমের অপর কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথম লেগে ৪-২ গোলে পিছিয়ে পড়ে দ্বিতীয় লেগে ৩-১ গোলের জয়ে রিয়াল মাদ্রিদের বুক ভাঙে মোনাকো।

কে জানে পিএসজির বিপক্ষেও নিজেদের মাঠে লিওনেল মেসির একটা হ্যাটট্রিকের সঙ্গে নেইমার ও সুয়ারেসের লক্ষ্যভেদে ফিরতি লেগটা জিতেও যেতে পারে কাতালানরা। ইউরোপিয়ান কাপ বা চ্যাম্পিয়নস লিগে  মৌসুমে শিরোপার সবকটিই যে জেতা যায়, সেটা বার্সেলোনার আগে কোন দলই-বা করে দেখিয়েছিল! উয়েফা ডটকম

ম রাউন্ডের প্রথম লেগে লা চুস-দ্য-ফন্দস ৬-২ গোলে হারিয়েছিল লিয়েক্সকে। দ্বিতীয় লেগে লিয়েক্সে কিন্তু জিতে যায় ৫-০ ব্যবধানে। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুমের উয়েফা কাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্স ৬-২ গোলে হারিয়েছিল পার্তিজানকে। ফিরতি লেগে পার্তিজান জিতেছিল ৪-০ ব্যবধানে। বার্সেলোনার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদেরও আছে এমন কীর্তি। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমের উয়েফা কাপের তৃতীয় রাউন্ডে বরুশিয়া মুনশেনগ্লাডবাখ প্রথম লেগে ৫-১ গোলে হারিয়েছিল রিয়ালকে। ফিরতি লেগে রিয়াল জিতেছিল ৪-০ ব্যবধানে! ম্যাচটি শেষে উচ্ছ্বাসে ভেসে রিয়ালের স্প্যানিয়ার্ড ফরোয়ার্ড জুনিতো বলেছিলেন, ‘স্পেনের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ খেলেছি। মাদ্রিদের জার্সিতে জিতেছি মর্যাদার অনেক শিরোপা। কিন্তু এই জয়ের চেয়ে বেশি আনন্দ পাইনি আর কখনো। ’

চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে এ ধরনের প্রত্যাবর্তনের গল্প আছে ২০০৩-০৪ মৌসুমে। সেবার প্রথম লেগে ৪-১ গোলে জিতে সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে রেখেছিল এসি মিলান। কিন্তু ফিরতি লেগে ৪-০ ব্যবধানের জয়ে শেষ চারের টিকিট পায় দেপোর্তিভো! একই মৌসুমের অপর কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথম লেগে ৪-২ গোলে পিছিয়ে পড়ে দ্বিতীয় লেগে ৩-১ গোলের জয়ে রিয়াল মাদ্রিদের বুক ভাঙে মোনাকো।

কে জানে পিএসজির বিপক্ষেও নিজেদের মাঠে লিওনেল মেসির একটা হ্যাটট্রিকের সঙ্গে নেইমার ও সুয়ারেসের লক্ষ্যভেদে ফিরতি লেগটা জিতেও যেতে পারে কাতালানরা। ইউরোপিয়ান কাপ বা চ্যাম্পিয়নস লিগে  মৌসুমে শিরোপার সবকটিই যে জেতা যায়, সেটা বার্সেলোনার আগে কোন দলই-বা করে দেখিয়েছিল! উয়েফা ডটকম


মন্তব্য