kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

আক্রমণাত্মক ফুটবলই খেলবে মোহামেডান

প্রিমিয়ার লিগে দশম হওয়া দল মোহামেডান খেলছে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপের মতো হাইপ্রোফাইল আসরে। নতুন কোচ হিসেবে যোগ দেওয়া আব্দুল কাইয়ুম সেন্টুর সামনে তাই বিরাট চ্যালেঞ্জ। সেই আসর নিয়ে দলের প্রস্তুতি ও সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন তিনি কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



আক্রমণাত্মক ফুটবলই খেলবে মোহামেডান

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : মোহামেডানের মতো ঐতিহ্যবাহী দলে কোচিং করানো কতটা চ্যালেঞ্জের?

আব্দুল কাইয়ুম সেন্টু : আবাহনী-মোহামেডানের মতো দলে কাজ করাটা সব সময়ই কঠিন। তারা যেমনই দল গড়ুক।

আমি অবশ্য মোহামেডানেই মানিক ভাই, জোসি ভাইসহ বেশ কয়েকজন কোচের সহকারী হিসেবে কাজ করেছি এর আগে। প্রধান কোচ হিসেবে এবারই প্রথম। সামনে অনেকটা পথ পড়ে রয়েছে, দেখা যাক কত দূর যেতে পারি।

প্রশ্ন : লিগে দশম হওয়া একটা দল নিয়ে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপের মতো আসরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাটা তো কঠিন?

সেন্টু : তা তো অবশ্যই। আমাদের প্রস্তুতিও হয়নি সেভাবে। দলের যা অবস্থা তাতে খুব ভালো প্রস্তুতি হলে হয়তো ঘাটতিগুলো পুষিয়ে নেওয়া যেত। কিন্তু সুযোগ পেলাম কই। আমার বিদেশি খেলোয়াড়রাই যোগ দিয়েছে গতকাল। আজকে দুজন এসেছে মুক্তিযোদ্ধা থেকে।

যে জনাদশেক খেলোয়াড় নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম, সেই প্রস্তুতিটাও ব্যাহত হয়েছে মাঝখানে মাগুরায় টুর্নামেন্ট খেলায়। এত দিন আসলে মাগুরার ওই আসরটা নিয়েই আমরা ব্যস্ত ছিলাম। শেখ কামাল টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি শুরু করেছি মাত্রই।

প্রশ্ন : মাগুরায় ওই টুর্নামেন্টটা না খেলার তো সুযোগ ছিল না?

সেন্টু : অনেকটা সেরকমই আমরা আগেরবারের চ্যাম্পিয়ন। এবারও আমরা এই আসরে অংশ নেব এটা ঠিক হয়ে গিয়েছিল আগেই। শেষ সময়ে এসে তা আর বদলানো যায়নি। কিন্তু ঢাকা থেকে গিয়ে ওই আসরে খেলায় খেলোয়াড়দের ওপর দিয়ে বেশ ধকল গেছে।

প্রশ্ন : সব মিলিয়ে শেখ কামাল টুর্নামেন্টে আপনাদের লক্ষ্যটা কী হতে পারে?

সেন্টু : গ্রুপিংয়ের দিক দিয়ে আমরা একটু ছাড়ই পেয়েছি বলতে গেলে। অন্য গ্রুপটা বেশ কঠিন। সে তুলনায় আমাদের গ্রুপ থেকে অন্তত সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা উচিত। আমরা প্রথমত সেই লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব।

প্রশ্ন : স্থানীয় খেলোয়াড়দের দিক দিয়ে গত মৌসুম থেকে দলে কতটা পরিবর্তন এসেছে?

সেন্টু : গত মৌসুমের মূল খেলোয়াড়দের মধ্যে সবাই প্রায় আছে, যেমন সবুজ, সজীব, জনি, বিপলু। ওদের সঙ্গে চট্টগ্রাম আবাহনী থেকে নিয়েছি দুজন—শরিফুল ও সোহেল, মুক্তিযোদ্ধা থেকে মানিক ও মামুন এসেছে সঙ্গে ফেনী সকার থেকে একজন।

প্রশ্ন : গত মৌসুমে মুক্তিযোদ্ধাকে আপনি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলিয়েছেন, মোহামেডানের এই দল নিয়ে কী পরিকল্পনা?

সেন্টু : আমার দর্শনই হলো আক্রমণাত্মক ফুটবল। মোহামেডানকেও আমি সেভাবেই খেলাব শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাপ কাপে।


মন্তব্য