kalerkantho


শাহেদকে ইন্তেখাবের চ্যালেঞ্জ

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



শাহেদকে ইন্তেখাবের চ্যালেঞ্জ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনকে ঘিরে ক্রীড়াঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন মেরুকরণ। মহাসচিব পদে সৈয়দ শাহেদ রেজাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন ইন্তেখাবুল হামিদ অপু।

বাংলাদেশ শ্যুটিং স্পোর্ট ফেডারেশনের এই সাধারণ সম্পাদক ইন্তেখাবুল হামিদ গতকাল এই পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন গঠিত হলেও এখনো তফসিল ঘোষণা হয়নি। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই কমিশন ফেডারেশনগুলোর কাছে কাউন্সিলর (বিওএ প্রতিনিধি) চাইবে বলে জানিয়েছেন প্রধান কমিশনার। তার আগেই ইন্তেখাবুল হামিদ অপু সংবাদমাধ্যমে মহাসচিব পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। বর্তমান কমিটির ওপর খানিকটা বিরক্ত হয়েই শ্যুটিংয়ের সম্পাদক নির্বাচনে যাচ্ছেন, ‘এখন বিদেশে দল পাঠাতে হলে, ট্রেনিংয়ের কথা তুললে বিওএ বলে টাকা নাই। তোমরা নিজেরা করো। এসব বললে কিভাবে গেমস হবে। কেনই-বা মহাসচিব হয়, কেনই বা কমিটি হয়। এসব চিন্তাভাবনা করেই আগামী বিওএ নির্বাচনে আমি মহাসচিব পদে নির্বাচন করতে চাই।

আমি সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। আমার প্রোফাইল দেখে বিচার করবেন, আমার সামর্থ্য আছে কিনা। ’ নিজের যোগ্যতা হিসেবে শ্যুটিংয়ের সংস্কারের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। জাপান অলিম্পিক ও সামনের আন্তর্জাতিক শ্যুটিং চ্যাম্পিয়নশিপের কথা ভেবে একটা দীর্ঘ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম শুরু করেছেন। এনেছেন দুজন হাইপ্রোফাইল শ্যুটিং কোচ। এছাড়া তাঁর সময়ে বিভিন্ন গেমসে এবং আন্তর্জাতিক শ্যুটিংয়ের সাফল্যগুলোকে বিজ্ঞাপিত করেছেন নিজের সাংগঠনিক সাফল্য হিসেবে।

পাশাপাশি এসএ গেমসে ১৮টি সোনার পদক থেকে বিওএর গত কমিটির আমলে অর্জন চারটি সোনার পদকে নেমে আসায় সমালোচনা মুখর হয়েছেন অপু। এখানেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন গত জানুয়ারিতে শেষ হওয়া বিওএ কমিটির মহাসচিব শাহেদ রেজার মেয়াদকে। ‘কুতুব ভাই (কুতুব উদ্দিন আহমেদ মহাসচিব থাকাকালীন) থাকতে ১৮ মাস (বাস্তবে ছিল ১৩ মাস) ট্রেনিং হয়েছে, এসএ গেমসে আমরা ১৮টি সোনার পদক পেয়েছি। এবার হয়েছে মাত্র দুই মাস। ইন্দো-বাংলা গেমস হওয়ার কথা ছিল, তা-ও হয়নি। এটা কার ব্যর্থতা। এসব চিন্তাভাবনা করেই, বিওএ কার্যকলাপ দিন দিন নিচের দিকে নামছে। ’ প্রথম মেয়াদ শেষ করে শাহেদ রেজা দ্বিতীয় মেয়াদে তৈরি হচ্ছেন মহাসচিব পদে লড়াইয়ের জন্য। কিন্তু তাঁর কাজের ধরন নিয়ে অপু সমালোচনা করেছেন, ‘শাহেদ ভাই আমার প্রিয় একজন মানুষ, আমার বড় ভাই। তার বিরুদ্ধে আমি কথা বলতে চাই না। তবে নিয়ম হলো মহাসচিবের পরিকল্পনা থাকতে হয়, তার পরিকল্পনা বোর্ডকে জানাতে হয়। কিন্তু বিওএতে বোর্ড উল্টো পরিকল্পনা জানায় তাকে। তিনি বুঝলে, হলো। বাকিটা না বুঝলে ওভাবেই শেষ। ’


মন্তব্য