kalerkantho


অ্যাতলেতিকোর পেনাল্টি দুর্ভাগ্য

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



দূরত্ব মাত্র ১২ গজ। অথচ এর সামনে এসে পৃথিবীটা থমকে যায় অনেকের।

দুুরু দুরু করে বুক। পেনাল্টি শটটা নেওয়ার আগে স্নায়ুর চাপে ভোগেননি এমন ফুটবলার খুঁজে পাওয়া বিরল। সম্প্রতি সেই চাপে একটু বেশিই ভুগছেন অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের ফুটবলাররা। কোপা দেল রে’র ম্যাচটির কথাই ধরুন। গত সপ্তাহে সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে বার্সেলোনাকে প্রায় হারিয়েই দিয়েছিল তারা। কিন্তু পেনাল্টি পেয়েও কেভিন গামেইরো সেটা পোস্টের ওপর দিয়ে মারায় সোনার সুযোগ হেলায় হারায় সিমিওনির দল। এমনিতে অ্যাতলেতিকোয় নিয়মিত পেনাল্টি নিতেন আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান। সেই তিনিও গত সাত পেনাল্টির মিস করেছেন পাঁচটি!

বার্সেলোনা ম্যাচের রেশটা না কাটতে গত পরশু লা লিগায় আবারও পেনাল্টি মিস করেছে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। গামেইরো আর গ্রিয়েজমানের বদলে এবার এগিয়ে এসেছিলেন ফার্নান্দো তরেস।

ম্যাচে ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা একটা গোলও করেছিলেন এই স্পানিশ ফরোয়ার্ড। সেই তিনিও পারলেন না পেনাল্টি শটটা জালে জড়াতে! ডাগ আউটে সিমিওনি তখন পারলে চুল ছেঁড়েন নিজের! কাকে

পেনাল্টি শট নিতে বলবেন তিনি? অ্যাতলেতিকোর সব খেলোয়াড়ের কাছেই তো পেনাল্টি শটটা হয়ে পড়েছে আতঙ্কের। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচটি ৩-২ গোলে জিতে ব্যাপারটা এড়িয়ে গেলেন না সিমিওনি, ‘বার্সার ম্যাচে পেনাল্টি নষ্ট না হলে কোপার ফাইনালে খেলতে পারতাম আমরা। সেল্তার সঙ্গেও হারছিলাম প্রায়। আমরা পর্যাপ্ত অনুশীলন করছি, তার পরও পেনাল্টি নষ্ট করছে সবাই। দেখা যাক পরের ম্যাচের পেনাল্টির কী ফল হয়?’

লা লিগায় তরেস পেনাল্টি শট নিয়েছেন ২৮টি। গোল করতে পারেননি এর ৯টিতে! অর্থাৎ পেনাল্টি নষ্টের হার ৩২.১ শতাংশ, যা লা লিগার ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ। অন্তত ১৫টি শট নিয়েছেন এমন খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪২.১ শতাংশ হারে পেনাল্টি মিস করেছেন অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদেরই হুয়ান কার্লোস অ্যাগুয়েলেরে। এই রাইট ব্যাক ১৯ শটের জালে জড়াতে পারেননি ৮টি। এই তালিকায় ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ১২ ও  লিওনেল মেসি আছেন ১১ নম্বরে। রোনালদো ১৩.৮ শতাংশ হারে ৬৫ পেনাল্টির মিস করেছেন ৯টি। মেসি ১৬ শতাংশ হারে নষ্ট করেছেন ৫০ পেনাল্টির ৮টি। মার্কা


মন্তব্য