kalerkantho


জয়ই দেখছে ভারত

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



জয়ই দেখছে ভারত

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ৬৮৭ রানের নিচে চাপা পড়েও প্রথম ইনিংসে অভাবিত লড়াই করেছে বাংলাদেশ। তাতে দ্বিতীয় ইনিংসেও আরেকটি লড়াইয়ের সম্ভাবনা আর যে-ই দেখুক না কেন, সে দলে ভারতীয়দের কেউ নেই। চতুর্থ দিনের শেষে এসে চেতেশ্বর পূজারা তো সাফ জানিয়ে গেছেন যে, জয় ছাড়া ভিন্ন কিছু ভাবছে না তাঁর দল। উইকেটের যে হাল-হকিকত, তাতে বড়জোর দুই সেশন টিকতে পারে বাংলাদেশ।

‘বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ভালো ব্যাটিং করেছে। তবে আশা করি কাল দুই সেশনে ওদের বাকি ৭ উইকেট তুলে নিতে পারব’, বলেছেন দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৮ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকা পূজারা। তাঁর এ আশাবাদ ভিত্তিহীনও নয়। অবশেষে স্পিন ধরতে শুরু করেছে হায়দরাবাদের উইকেটে। তাতে শেষ দিনে আরো বেশি ভয়ংকর হয়ে ওঠার কথা রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজার। তার ওপর শেষ দিন, চতুর্থ ইনিংস এবং বড় রানের চাপ—সব কিছুই যে বাংলাদেশের বিপক্ষে!

প্রতিপক্ষকে আরো চাপে ফেলতে পারত ভারত, যদি ফলোঅনের সুযোগ পেয়েও আবারও ব্যাটিংয়ে নামার সিদ্ধান্ত না নিতেন বিরাট কোহলি। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যাওয়ার পরও তো ২৯৯ রানে এগিয়ে ছিল স্বাগতিকরা।

পূজারা জানিয়েছেন বাংলাদেশকে ফলোঅন না করানোর কারণ, ‘আমাদের বোলাররা ১০০ ওভারের বেশি বোলিং করেছিল। তাই চিন্তাটা ছিল বোর্ডে দ্রুত ১৫০-২০০ রান তুলে লিডটাকে আরো বাড়িয়ে নেওয়া। ’ এ যুগের ক্রিকেটে অবশ্য ফলোঅন করানো হয় কালেভদ্রে। বোলারদের বিশ্রাম দেওয়ার পাশাপাশি রানপাহাড়ে চড়ার চেষ্টার আগে প্রতিপক্ষকে আরেকটু খাটিয়ে নেওয়াই উত্তম পন্থা বলে মনে করা হয় এ যুগে।

অবশ্য পূজারার কাছে অধিনায়কের এ সিদ্ধান্ত এসেছে নতুন সুযোগ হয়ে, ‘অনেকে মনে করেন আমি শট খেলতে পারি না। আজ খোলামনে শট খেলার সুযোগ পেয়েছি। খেলেছিও। টেস্ট মোডে এটা সম্ভব না। উইকেট আগলে খেলতে হয়। আমার কিন্তু একটা টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরিও আছে। আশা করি আমার সম্পর্কে সবার পুরনো ধারণা পাল্টে যাবে। ’

 


মন্তব্য