kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্যই এজিএম

বাংলাদেশের অলিম্পিকের প্রথম সাধারণ সভা হয়েছে গতকাল। কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে এই সভার পর কমিটির বিদায়ী মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা সংবাদ সম্মেলন করে নিজের মেয়াদকালের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেছেন। তারই সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়েছে

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্যই এজিএম

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের ৩৯ বছরের ইতিহাসে প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা হয়েছে!

সৈয়দ শাহেদ রেজা : আগে কখনো এজিএম (বার্ষিক সাধারণ সভা) হয়নি। না হওয়ার কারণ আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়।

তবে আমাদের কমিটি প্রথমবারের মতো আজ গলফ ক্লাবে এজিএম করেছে। আমাদের মেয়াদকালে যত কর্মকাণ্ড হয়েছে এবং এ সম্পর্কিত আয়-ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরা হয়েছে এবং ৪৯ জন সদস্যের উপস্থিতিতে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তা অনুমোদিত হয়েছে। এজিএম করার মূল উদ্দেশ্যই ছিল জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

প্রশ্ন : বিওএর ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ১১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা অনুমোদিত হয়েছে। এই অর্থের খাতগুলো কি বলা যাবে?

শাহেদ রেজা : এর মধ্যে প্রশাসনিক ব্যয় আছে। গেমসের খরচ বাবদ ৬ কোটি টাকারও বেশি ধরা হয়েছে। এ ছাড়া অলিম্পিক সলিডারিটি কোর্স আয়োজনের খরচও আছে।

প্রশ্ন : কিন্তু প্রশিক্ষণ খাতে কোনো খরচ রাখা হয়নি কেন?

শাহেদ রেজা : গেমসের যে বাজেট আছে সেখানে প্রশিক্ষণের খরচও ধরা হয়েছে।

প্রশ্ন : যুব বাংলাদেশ গেমস আয়োজনের পরিকল্পনার কথা শোনা গিয়েছিল।

শাহেদ রেজা : সেটা করব আমরা। এটা যেহেতু বছরের শেষদিকে হবে, তাই পরের অর্থবছরে চলে যাবে। পরের বাজেটে এই গেমসের অর্থের ব্যাপারটা থাকবে।

প্রশ্ন : এই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে জানুয়ারিতে। বিওএ মহাসচিব নিজের মেয়াদকালটা কেমন গেল?

শাহেদ রেজা : দায়িত্ব নেওয়ার সময় বলেছিলাম, খেলাধুলাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমি সাধ্যমতো কাজ করব। নতুন খেলোয়াড় সৃষ্টিতে কাজ করব। এসব রাতারাতি হওয়ার নয়, তবে কিছু উন্নতি নিশ্চয় হয়েছে। ফেডারেশনগুলোকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। তৃপ্তির জায়গা হলো, আমার সময়ে প্রথমবারের মতো একজন অ্যাথলেট সরাসরি অলিম্পিকে অংশ নিয়েছে, গলফার সিদ্দিকুর রহমান এই কৃতিত্ব দেখিয়েছে। আমি এসে ১১ বছর পর বাংলাদেশ গেমস করেছি। এ ছাড়া বিভিন্ন ছোটখাটো গেমসে অ্যাথলেট পাঠিয়েও আমরা পদক পেয়েছি।

প্রশ্ন : কোন জিনিসটা করার ইচ্ছা ছিল কিন্তু পারেননি?

শাহেদ রেজা : আমার ইচ্ছা ছিল একটা গেমস ভিলেজ করার। কারণ এখানে কোনো গেমস আয়োজন করতে গেলে, অ্যাথলেটদের রাখার জন্য এদিক-ওদিক দৌড়াতে হয়। তাই একটা ভিলেজ করা গেলে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক গেমস আয়োজনও সহজ হয়ে যাবে। এ নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ হয়েছে। বিওএ সভাপতিও এ ব্যাপারে ইতিবাচক। পদ্মার পারে জমিও দেখেছি। এখন একটা জায়গায় এসে পৌঁছেছে, সামনে যারা দায়িত্ব নেবে তারা কাজটা শেষ করতে পারবে বলে আশা করি।


মন্তব্য