kalerkantho


দাবায় জিএম টুর্নামেন্টের তোড়জোড়

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ক্রীড়া প্রতিবেদক : অনেক দিন পর গ্র্যান্ডমাস্টার টুর্নামেন্টের তোড়জোড় শুরু হয়েছে দাবায়। সাত বছর পর বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন বড় কলেবরে ঢাকায় একটি জিএম টুর্নামেন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আয়োজকদের ইচ্ছা বঙ্গবন্ধুর সন্তান আবাহনীর প্রতিষ্ঠাতা শেখ কামালের নামে এটি আয়োজন করা।

ফেডারেশনে নতুন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর দাবায় এখনো দৃশ্যমান পরিবর্তন আসেনি। হয়নি কোনো গুণগত পরিবর্তনও। এই কমিটির অধীনেই বাজে পারফর্ম করে ফিরেছে দাবা অলিম্পিয়াড থেকে। এরপর দেশের গ্র্যান্ডমাস্টারদের দিয়ে উঠতি দাবাড়ুদের প্রশিক্ষণ চলছে এখন। অনেক দিন ধরে জিএম টুর্নামেন্ট হয় না বলে নতুন কমিটি এটি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ২ থেকে ১০ মার্চ সূচি ঠিক হয়েছে, সে অনুযায়ী বিদেশি দাবাড়ুদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে ফেডারেশন। তাদের অপেক্ষা শুধু বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অনুমতির জন্য। ‘জিএম টুর্নামেন্টের জন্য আমাদের প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে।

বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদনের পেলেই শেখ কামালের নামে টুর্নামেন্টের নামকরণ হয়ে যাবে’—বলেছেন ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক মনিরুজ্জামান পলাশ।

মাঝে দাবা ফেডারেশনের অবস্থা বেশ খারাপ ছিল। তাই ফেডারেশনের বার্ষিক ক্যালেন্ডারে জিএম টুর্নামেন্ট থাকলেও আয়োজন করতে পারেনি। ২০০৯ সালে ইউনাইটেড ইনস্যুরেন্স লিজিং জিএম টুর্নামেন্টের পর আর কোনো টুর্নামেন্ট করতে পারেনি ফেডারেশন। তবে ফেডারেশনের বাইরে স্পন্সর সিক্স সিজনসের উদ্যোগে দুইবার জিএম টুর্নামেন্ট হয়েছে, এর পেছনে ছিলেন জিএম নিয়াজ মোরশেদ। এ ছাড়া চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে ২০১৫ সালে হয়েছে আরেকটি জিএম টুর্নামেন্ট। এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুবিধা হলো, দেশের দাবাড়ুদের রেটিং বাড়বে এবং নর্ম পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হবে। ২০০৮ সালে দেশের সর্বশেষ গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছেন এনামুল হোসেন রাজীব। পরের আট বছরে আর কোনো জিএমের দেখা তো মেলেইনি, এমনকি একটি নর্মও অর্জন করতে পারেনি কেউ! এর দায় ফেডারেশনের, মানসম্পন্ন জিএম টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পারেনি তারা।

বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের আন্তর্জাতিক আরবিটর হারুনুর রশীদ মনে করেন, ‘আমাদের পাঁচ জিএম তো আছেই। এ ছাড়া বাইরে থেকে ভালো রেটিংয়ের জিএম এবং আন্তর্জাতিক মাস্টার নিয়ে এলেই টুর্নামেন্টের সামগ্রিক রেটিং বেড়ে যাবে। বাইরে থেকে ভালো দাবাড়ু আনতে গেলে কিছু অ্যাপিয়ারেন্স ফি দিতে হবে আর কি। তা ছাড়া ২৫ হাজার ডলার প্রাইজমানিও থাকবে। ’ সব মিলিয়ে এই জিমএ টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে এক কোটি টাকার মতো খরচ হবে ফেডারেশনের।


মন্তব্য