kalerkantho


হোয়াইটওয়াশের শঙ্কায় শ্রীলঙ্কা

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



হোয়াইটওয়াশের শঙ্কায় শ্রীলঙ্কা

ওয়ানডের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ৪৪৪। ছয় মাস আগেই নটিংহামে পাকিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ডটা গড়েছিল ইংল্যান্ড।

গতকাল সেঞ্চুরিয়নে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা করেছে ৬ উইকেটে ৩৮৪। তবে শুরুটা যে দাপটে হয়েছিল তাতে একটা সময় হুমকিতেই ছিল ইংল্যান্ডের রেকর্ড। কুইন্টন ডি কক আর হাশিম আমলা উদ্বোধনী জুটিতে প্রথম ২৫ ওভারে অবিচ্ছিন্ন থেকে যোগ করেন ১৮০ রান। এবি ডি ভিলিয়ার্স, ফাফ দু প্লেসিসরা তাণ্ডব চালাতে পারলে হতেই পারত রেকর্ডটা। সেটা না হলেও ৩৮৪ রানের ইনিংসও রীতিমতো পাহাড়। সেই পাহাড়ে চাপা পড়ে ১৬ ওভারে ৯১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে শ্রীলঙ্কা। হোয়াইওয়াশ এড়াতে অভিনব কিছুই করতে হবে তাদের। ম্যাচটি জিতলে অস্ট্রেলিয়াকে পেছনে ফেলে ওয়ানডে র্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠে আসবে দক্ষিণ আফ্রিকা।

শ্রীলঙ্কাকে কখনো ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশ করতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা।

উল্টো ২০০৪ সালে শ্রীলঙ্কার মাটিতে হোয়াইটওয়াশ হয়ে এসেছিলেন গ্রায়েম স্মিথরা। সেই দলের কেবল জেপি দুমিনিই খেলছেন এখনো।

২৬.৩ ওভারে উদ্বোধনী জুটিতে ১৮৭ রান যোগ করেছিলেন ডি কক আর আমলা। সেঞ্চুরি পেয়েছেন দুজনই। ৭৪তম ওয়ানডে ক্যারিয়ারে গতকাল ১২ নম্বর সেঞ্চুরি করেছেন ডি কক। ৮৭ বলে ১৬ বাউন্ডারিতে ১০৯ করে তিনি ফেরেন সুরাঙ্গা লাকমলের বলে সানদুন ওয়েরাকুডিকে ক্যাচ দিয়ে। গতকাল ওয়ানডেতে তিন হাজার রানও পূর্ণ করেছেন তিনি, যা আমলা ও ডি ভিলিয়ার্সের পর তৃতীয় দ্রুততম। আর হাশিম আমলা পেয়েছেন ২৪তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। এই ২৪ সেঞ্চুরির ৫টিই সেঞ্চুরিয়নে। অথচ আর কোনো ভেন্যুতে দুটির বেশি সেঞ্চুরি নেই আমলার। ১৩৪ বলে ১৫ বাউন্ডারিতে ৫ ছক্কায় ১৫৪ রানে আউট হন তিনি।

ডি কক ফেরার পর রানের গতিটা ধরে রেখেছিলেন ফাফ দু প্লেসিস। ৩৪ বলে ১ বাউন্ডারি ২ ছক্কায় লাহিরু মাদুসনাকার বলে ফেরেন তিনি। ঝড় তোলার ভালো মঞ্চ পেয়েও ব্যর্থ ডি ভিলিয়ার্স। ৯ বলে ২ বাউন্ডারিতে মাত্র ১১ রানে জেফরি ভেন্ডারসের বলে লাহিরু কুমারার তালুবন্দি হন প্রোটিয়া অধিনায়ক। এছাড়া ফারহান বেহারডিন করেন ৩২। ক্রিকইনফো


মন্তব্য