kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

আমাদের বড় একটি দলকে হারাতে হবে

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



আমাদের বড় একটি দলকে হারাতে হবে

মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকেই মাঠে গড়াচ্ছে ওয়ার্ল্ড হকি লিগ রাউন্ড টু। এই আসরের প্রস্তুতির জন্য বিকেএসপিতে ক্যাম্প করছে জাতীয় দল, প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকাও যাওয়ার কথা তাদের। টুর্নামেন্টের এই প্রস্তুতি ও প্রত্যাশা প্রসঙ্গে কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে কথা বলেছেন জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড় এবং ফেডারেশনের বর্তমান নির্বাচক কমিটির সদস্য মামুন-উর রশিদ

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকেই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা যাওয়ার কথা জাতীয় দলের, তার কী হলো?

মামুন-উর রশিদ : ১০-১১ তারিখের দিকেই যাওয়ার কথা। তবে এখনো ভিসা প্রক্রিয়া শেষ করে গেছে কি না আমি ঠিক বলতে পারছি না। কোচ অলিভার কার্টজের পরিকল্পনাতেই সব হচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় বেশ কিছু ম্যাচ খেলে রাউন্ড টু-র কিছুদিন আগে ওরা ঢাকায় ফিরবে। এখানেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলবে।

প্রশ্ন : দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের পরিকল্পনার শুরুতেই কিন্তু প্রশ্নটা উঠেছিল, এত জায়গা থাকতে আফ্রিকায় যাওয়া কেন?

মামুন : প্রশ্ন ওঠাটা স্বাভাবিক। আমরা মালয়েশিয়ায়ও যেতে পারতাম কিংবা ভারতে। তাহলে খরচও কম হতো। এশিয়াতেই তো বিশ্বকাপ খেলা বেশ কয়েকটা দেশ আছে।

সেসব বাদ রেখে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের কথা স্বাভাবিকভাবেই আমাদের ভাবনায় আসে না। ইউরোপে সুযোগ-সুবিধা প্রচুর, সেখানে যাওয়াটা আলাদা কথা। এই কোচ আফ্রিকায় যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন, হয়তোবা ওখানে উনার ভালো যোগাযোগ আছে। আমার মত হলো, যেখানেই যাওয়া হোক, এই মুহূর্তে বেশ কিছু প্রস্তুতি ম্যাচ খেলা দলের জন্য জরুরি।

প্রশ্ন : বর্তমান দলটাকে কেমন দেখেছেন?

মামুন : কিছুদিন আগেই বিকেএসপিতে গিয়ে প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য আমরা দল চূড়ান্ত করে এসেছি। ওখানে অ্যাথলেটিকস কোচ আব্দুল্লাহিল কাফির অধীনে ফিটনেস ট্রেনিং হচ্ছে ওদের। বড় একটা আসরের আগে এই ধরনের ফিজিক্যাল ফিটনেস প্রোগ্রাম হয়েই থাকে। অলিভারের পাশাপাশি স্থানীয় দুজন কোচ কাজ করছেন। প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা করে অনুশীলন হচ্ছে। জার্মান কোচের অধীনে ওদের খেলায়ও উন্নতি হয়েছে। ওরা এখন আরো গতিময় হকি খেলছে। আগে পাসিং ছিল ধীর গতিতে। এখন সেটাই করছে ওরা দ্রুত, করে ওপরে উঠছে।

প্রশ্ন : রাউন্ড টু-তে এবার বাংলাদেশের সম্ভাবনা কেমন?

মামুন : দেশের মাটিতে খেলা। এটা সব সময়ই বড় সুবিধা। বাইরে টুর্নামেন্ট হলে খেলোয়াড়দের খাওয়া-দাওয়াতেই অনেক সমস্যা হয়ে যায়। টিম ম্যানেজমেন্টকে তাদের ফিটনেস নিয়ে ঝক্কি পোহাতে হয়। এবার আশা করি জাতীয় দল পুরো ফিট থেকে নিজেদের সর্বোচ্চটাই দেবে এই আসরে। আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জও কঠিন। শীর্ষ দুই দলে থাকতে হলে র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকা কাউকে না কাউকে হারাতেই হবে। কানাডাকে বাদ দিয়েও আরো দুটি দল থাকছে যারা র‌্যাংকিংয়ে আমাদের চেয়ে এগিয়ে, মিসর ও চীন। তাদের একটিকে হারাতে হবে।


মন্তব্য