kalerkantho


সাঞ্জামুলের ৯ উইকেট তিন দিনেই নিষ্পত্তি

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



সাঞ্জামুলের ৯ উইকেট তিন দিনেই নিষ্পত্তি

ক্রীড়া প্রতিবেদক : প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চলের বিপক্ষে একটু বেকায়দাতেই ছিল ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চল। তাই বলে তৃতীয় দিনেই ম্যাচ হেরে যাবে, এতটা বোঝা যায়নি।

বিসিবি উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে তো ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল ছিল আরেকটু ভালো অবস্থানে। কিন্তু পরিণতি সেই অভিন্ন। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে তৃতীয় দিনেই ইনিংস ব্যবধানে হেরে গেছে তারা।

প্রথম ইনিংসে ৫০২ রানের পাহাড় গড়ে উত্তরাঞ্চল। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের ম্যাচে তাই মধ্যাঞ্চলের চাপে থাকাটা স্বাভাবিক। তবে দ্বিতীয় দিন যখন শেষ করে ৩ উইকেটে ১২০ রানে, আশার উপাদান ছিল যথেষ্ট। কিন্তু কাল যে ওভাবে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়বে তারা, কে ভেবেছিলেন! ভাবা যায়নি যেমন বাঁহাতি স্পিনার সাঞ্জামুল ইসলামের স্মরণীয় কীর্তিও। দ্বিতীয় ইনিংসে একাই তো মধ্যাঞ্চলের ৯ উইকেট নেন তিনি! আরেকজন রানআউট, নইলে হয়তো আরো অবিস্মরণীয় অর্জনও হতে পারত সাঞ্জামুলের।

মধ্যাঞ্চল প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়ে যায় ২৩৩ রানে।

নিঃসঙ্গ যোদ্ধার মতো একাই লড়াই করেন সাইফ হাসান। ৭ রানের জন্য সেঞ্চুরি পাননি তিনি। ফলোঅনে পড়ার পর তাদের দ্বিতীয় ইনিংসের চিত্রনাট্যও একই রকমের। পার্থক্য বলতে এবার লড়াকু নুরুল হাসানের সেঞ্চুরি। ভারত সফরের জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান খেলেন ১১১ বলে ১১৩ রানে দুর্দান্ত ইনিংস। কিন্তু তাতেও পাদপ্রদীপের আলো নিজের দিকে টেনে নিতে পারেননি। প্রতিপক্ষের সাঞ্জামুল ইনিংসে একাই ৯ উইকেট নেন যে! তাতে ২১৯ রানে অলআউট মধ্যাঞ্চল। ইনিংস ও ৫০ রানে ম্যাচ জিতে বিসিএলের শুরুটা দারুণ হয় উত্তরাঞ্চলের।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের ম্যাচটিতে পূর্বাঞ্চলের বিপক্ষে দক্ষিণাঞ্চলের জয় ইনিংস ও ৪৪ রানে। প্রতিপক্ষের ৪০৩ রানের জবাবে ৫ উইকেটে ৭৪ রান নিয়ে কাল তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে পূর্বাঞ্চল। সেখান থেকে অলআউট ১৪৪ রানে। পেসার রুবেল হোসেন ৫ উইকেট পেলেও মুস্তাফিজুর রহমান ২ উইকেটের বেশি পাননি। আর দ্বিতীয় ইনিংসে তো ৮ ওভারে ২৩ রান দিয়ে কোনো শিকারই করতে পারেননি কাটার মাস্টার। দক্ষিণাঞ্চলের জিততে তবু সমস্যা হয়নি। আবদুর রাজ্জাকের ৬ উইকেটে ফলোঅনে পড়া পূর্বাঞ্চলকে তারা দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট করে ২১৫ রানে। পায় ইনিংস ও ৪৪ রানের জয়।


মন্তব্য