kalerkantho


মূলপর্বে চোখ রুমানাদের

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



মূলপর্বে চোখ রুমানাদের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ২০১৩ সালে ভারতে হয়ে যাওয়া নারী বিশ্বকাপের বাছাই পর্বটা হয়েছিল বাংলাদেশে। সালমা-জাহানারাদের সেবারই দেশের মাটিতে অনেকগুলো দেশের সঙ্গে প্রতিপক্ষ হিসেবে খেলা, তাদের কাছ থেকে দেখা।

বাছাই পর্বেই অর্জিত হয় ওয়ানডে মর্যাদা, যদিও বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলাটা তখন সুদূরের স্বপ্ন। কালের খেয়ায় ভেসে সেই স্বপ্নে লাগছে বাস্তবের রং। চার বছরে খানিকটা পরিণত বাংলাদেশের নারী দল, দেশে ও দেশের বাইরে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ ও বৈশ্বিক আসরে অংশ নিয়ে অভিজ্ঞতাও বেড়েছে। এবারে তাই বাছাই পর্ব উতরে মূলপর্বে খেলার স্বপ্নের কথাই শোনালেন মেয়েদের দলের অধিনায়ক রুমানা আহমেদ।

৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শ্রীলঙ্কায় শুরু হচ্ছে ১০ দল নিয়ে নারী বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব। পাঁচটি করে দল নিয়ে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে ১০টি দলকে, বাংলাদেশ সেখানে ‘বি’ গ্রুপে আছে পাকিস্তান, পাপুয়া নিউগিনি, স্কটল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে। কিছুদিন আগেই দেশে প্রোটিয়া নারী দলের সঙ্গে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ খেলেছে রুমানার দল, তাতে চারটি ম্যাচে হারলেও তারা জিতেছিল একটিতে। জেতার রেকর্ড আছে পাকিস্তানের বিপক্ষেও। গ্রুপে এই দুটি দলই শক্ত প্রতিপক্ষ হলেও আগেই হাল ছাড়ছেন না রুমানা, ‘এমন নয় যে তাদের আমরা এর আগে হারাইনি।

দল হয়ে খেলতে পারলে এবং তিন বিভাগে ভালো খেলতে পারলে আমাদের পক্ষে ভালো করা সম্ভব। ’ দলে নেই অভিজ্ঞ ব্যাটার আয়েশা রহমান শুকতারা, শেষ মুহূর্তে চোট পেয়ে ছিটকে গেছেন লতা মণ্ডল ও ফাহিমা খাতুন। রুমানা বলছেন, ‘এতে কিছু করার নেই। বিকল্প যারা এসেছে, তারাও ভালো। ’

লম্বা সময় ধরেই ব্যাটিং নিয়ে দুর্বলতা বাংলাদেশ দলের। ব্যাটাররা রান করতে পারেন না, পারলেও রান তোলার গতি অনেক ধীর, যা খেলার চাহিদার সঙ্গে একদমই মানানসই নয়। কোচ ডেভিড ক্যাপেলও মানলেন সেটা, ‘আমাদের রান তোলার গতি কখনো কখনো খুবই কম, সেটা ২০ ওভারে ৩০ রান করার মতো, যা মেনে নেওয়া কঠিন। ভালো করতে হলে আমাদের আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে হবে। ’ কোচ ও অধিনায়ক দুজনেই একমত হলেন, শ্রীলঙ্কায় গিয়ে আগে ব্যাট করে অন্তত ২০০ রান না করতে পারলে জেতার আশা ছাড়তে হবে। যদিও দেশে খেলা সবশেষ পাঁচ ওয়ানডেতে মেয়েরা সেই সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে পেরেছে মাত্র একবার!

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাঁচটি ওয়ানডেতেই বিচ্ছিন্ন কিছু ব্যক্তিগত সাফল্য ছিল। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে সেই সাফল্যের মালাই গাঁথতে চান রুমানা। পাঁচ দিনের ভেতর চারটি ম্যাচ খেলতে হবে বাংলাদেশকে, এই কাজটাই কঠিন মনে করছেন কোচ। তাই নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য না ধরে এগোতে চান একটি একটি করে ম্যাচ ধরে। গ্রুপের শীর্ষ তিন দল খেলবে সুপার সিক্সে, এই ছয় দল আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত ধরে রাখবে ওয়ানডে মর্যাদা। সুপার সিক্সের শীর্ষ দুই দল খেলবে ফাইনাল আর সুপার সিক্সের শীর্ষ চার দল খেলবে মূলপর্বে।


মন্তব্য