kalerkantho


ফুটবলারদের ফিটনেস ফিরেছে

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ফুটবলারদের ফিটনেস ফিরেছে

ক্রীড়া প্রতিবেদক : জাতীয় দলের ফুটবলারদের ফিটনেস ক্যাম্পের প্রথম পর্ব শেষে আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় পর্ব। এ জন্য ডাকা হয়েছে ২৯ জনকে।

আজ থেকে তাঁদের ফিটনেস ফেরানোর কাজ শুরু করবেন সৈয়দ গোলাম জিলানী ও স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ জন হুইটাল, চলবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

প্রথম পর্বে ডাকা হয়েছিল সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলে খেলা ৩৩ জন সিনিয়র ফুটবলারকে। দ্বিতীয় পর্বের দলের সদস্যদের বেশির ভাগই নতুন, দু-একটি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে কিংবা ভবিষ্যতে খেলার সম্ভাবনা আছে যাঁদের। প্রথম পর্ব শেষে বিদায় দেওয়া ফুটবলারদের ফিটনেস ক্যাম্প কোচ গোলাম আজিজ জিলানীর বিশ্লেষণ হলো, ‘ক্যাম্পে অংশ নেওয়ার দিনে যে কুপার টেস্ট হয়েছিল তাতে খেলোয়াড়দের অবস্থা তেমন ভালো ছিল না। ক্যাম্প ছাড়ার আগের দিন পরীক্ষায় তাদের উন্নতি দেখা গেছে। তাদের গতি ও দম এখন বলার মতো অবস্থায় এসেছে। বলা যায়, ফিটনেস ফিরেছে ৭৫ শতাংশ। ’ লিগ শেষে খেলোয়াড়রা ফুটবলহীন কিছু সময় কাটিয়েছে, তাতে হারিয়েছে তাঁদের ফিটনেস। জাহিদ-মামুনুলদের ফিটনেস ফেরানোর কাজটা মূলত করেছেন ব্রিটিশ ট্রেনার জন হুইটাল।

তবে ১০/১১ দিনে কাউকে পুরোপুরি ফিট করা অসম্ভব। তাই সর্বশেষ কুপার টেস্ট অনুযায়ী, ঘাটতির জায়গাগুলো চিহ্নিত করে প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ‘হোম-ওয়ার্ক’ দেওয়া হয়েছে। ‘প্রত্যেকের সম্পর্কে জনের কাছে একটা মূল্যায়ন আছে, সে অনুযায়ী তাদের আলাদা আলাদা ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে বাড়িতে করার জন্য। প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী চার-পাঁচ মাস চললে তারা পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠবে’—বলেছেন ক্যাম্পের কোচ জিলানী। এর মধ্যেও চার-পাঁচজনের ফিটনেস প্রায় শতভাগ ছুঁয়েছে বলে জানা গেছে।     

এই ফিটনেস ক্যাম্পের মূল উদ্দেশ্য বঙ্গবন্ধু কাপের জন্য একটি শক্তিশালী দল দাঁড় করানো। তার আগে অবশ্য খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের এক দফা পরীক্ষা হয়ে যাবে এ মাসে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠেয় শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপে। এদিকে জাতীয় দলের মিডফিল্ডার মামুনুল ইসলামের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার একটি দলের আলাপ-আলোচনা চলছে। পারিশ্রমিকের ব্যাপারে দু-পক্ষ এক বিন্দুতে পৌঁছাতে পারেনি।


মন্তব্য