kalerkantho


বিশ্বকাপের আর ৫০০ দিন

১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



বিশ্বকাপের আর ৫০০ দিন

কারো চোখে বিশ্বকাপের আরো বছর দেড়েক বাকি। আর রুশদের চোখে, বিশ্বকাপের আর মাত্র ৫০০ দিন বাকি! এর পরই রাশিয়ায় বসবে ফুটবলের বিশ্বযজ্ঞ, যেখানে থাকবে গোটা বিশ্বের চোখ। নানা আনন্দময় আয়োজন আর বিভিন্ন শহরে ঘড়ি স্থাপনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়ে গেল রাশিয়া বিশ্বকাপের ৫০০ দিনের ক্ষণগণনা। রীতি অনুযায়ী, এ বছরই হবে কনফেডারেশনস কাপ। জুনে এ আসর গড়ানোর মাধ্যমেই আসলে ঢাকে কাঠি পড়ে যাবে পরবর্তী বছর বিশ্বকাপের মূল পর্ব আয়োজনের। রাশিয়ার বিভিন্ন শহরের প্রাণকেন্দ্রে খ্যাতিমান ক্রীড়াবিদদের হাতে ক্ষণগণনার শুরুর মাধ্যমে বিশ্বকাপের দিকে সেই অগ্রযাত্রা একেবারে খাতা-কলমে শুরু হয়ে গেল।

বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তাবনায় রাশিয়া ১৩টি শহরের ১৪টি স্টেডিয়ামের নাম ভেন্যু হিসেবে প্রস্তাব করেছিল। ভ্রমণের সময় কমাতে বেশির ভাগ ভেন্যুই নির্বাচন করা হয় ‘ইউরোপিয়ান রাশিয়া’ অঞ্চলে। কাল আয়োজক অনেক শহরের প্রাণকেন্দ্রেই আয়োজন করা হয় বিশ্বকাপ ক্ষণগণনা অনুষ্ঠানের। সব শেষ শীতকালীন অলিম্পিকের আয়োজক শহর সোচি আসছে বছর বিশ্বকাপ ফুটবলের ম্যাচও আয়োজন করবে। এই উপলক্ষে শহরের কেন্দ্রে ‘ফায়ার অ্যান্ড আইস শো’, মানব পিরামিড দিয়ে সংখ্যায় ‘৫০০’ ফুটিয়ে তোলাসহ নানা কর্মকাণ্ডের আয়োজন করা হয়। সোভিয়েত রাশিয়া আমলের ডিফেন্ডার ইভগেনি লভচেভ ছিলেন অতিথি হিসেবে, সেখানে অন্য দর্শকদের সঙ্গে কুইজে অংশ নিয়ে পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। ফুটবলপ্রেমীদের হাতে দেওয়া হয়েছে স্মারকসামগ্রী। কালিনগ্রাদ ও একটেরিনবার্গে শহরের প্রাণকেন্দ্রে স্থাপন করা হয়েছে ক্ষণগণনার ঘড়ি। রুশ দেশের মাতৃরূপের প্রতীকী মূর্তির সামনে স্থাপন করা হয়েছে কালিনগ্রাদের বিশ্বকাপের ক্ষণগণনার ঘড়ি, সেটি উদ্বোধন করেছেন সিনক্রোনাইজড সাঁতারে পাঁচবারের অলিম্পিক সোনাজয়ী এবং শহরের দূত নাতালিয়া ইশচেঙ্কো। একটেরিনবার্গে ঘড়ি স্থাপন করেন শহরের দূত এবং রিদমিক জিমন্যাস্টিকসে অলিম্পিক স্বর্ণপদকজয়ী ইরিনা জিলবার। অনুষ্ঠান দেখতে আসা দর্শকদের জন্য ছিল টেবিল ফুটবল প্রতিযোগিতা, ফুটবল জ্ঞান যাচাইয়ের কুইজসহ আরো অনেক আয়োজন। নিঝনি নভোগরোডে সাবেক জাতীয় স্কি তারকা দারিয়া শুখুরিখিনা অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন ঘড়ি স্থাপন অনুষ্ঠানের। সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় ফুটবলাররাও।

রোস্টভ অন ডন শহরের প্রশাসন বিশেষ সড়ক সংকেতে ছেয়ে ফেলেছে গোটা শহর। সব জায়গাতেই এখন বিশ্বকাপের আগমনধ্বনি। সেখানে হয়েছে ফ্ল্যাশমব, আলোর বেলুন ওড়ানোসহ নানা আয়োজন। ফিফা


মন্তব্য