kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মুখোমুখি প্রতিদিন

এখানে খেলে আমাদের শারীরিক সক্ষমতা বাড়ছে

পোল্যান্ডের বিপক্ষে টানা তিনটি অনুশীলন ম্যাচ খেলল বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল। তিনটির কোনোটিতে জয় না পেলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে হাড্ডাহাড্ডি। এ ম্যাচগুলোতে নিজের পারফরম্যান্স ও প্রথমবার ইউরোপ সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে ফোনে কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের সঙ্গে কথা বলেছেন ফরোয়ার্ড মইনুল ইসলাম

২২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



এখানে খেলে আমাদের শারীরিক সক্ষমতা বাড়ছে

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : অনুশীলন ম্যাচগুলো খেলে কেমন অভিজ্ঞতা হলো আপনাদের?

মইনুল ইসলাম : তিনটি ম্যাচেই আমরা ভালো খেলেছি। প্রথম দুটিতে ১-০ গোলে হারের পর আজ আমরা ২-২ গোলে ড্র করেছি।

২-০তে পিছিয়ে ছিলাম আমরা, সেখান থেকে ম্যাচে ফিরেছি। তো পোলিশদের বিপক্ষে এই পারফরম্যান্স অবশ্যই আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ওরা র‍্যাংকিংয়ের ১৯ নম্বর দল। টানা তিনটি ম্যাচে ওদের সঙ্গে একই তালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে যাওয়াটা সহজ ব্যাপার না।

প্রশ্ন : কিন্তু এই টানা ম্যাচ খেলা শেষ পর্যন্ত আবার নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না তো?

মইনুল : আশা তো করি, সমস্যা হবে না। টানা প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ হয়তো খেলা যায় না। কিন্তু অনুশীলন ম্যাচে খুব বেশি সমস্যা হচ্ছে না। অবশ্য প্রথম ম্যাচে আমি চোট পাওয়ায় পরের দুটি ম্যাচ খেলিনি। জিমি ভাই (রাসেল মাহমুদ) আবার দ্বিতীয় ম্যাচে চোট পেয়েছে, আজকের ম্যাচটি উনি খেলেননি। এটাও হতেই পারে। আমি আশা করি পরের ম্যাচেই আবার মাঠে নামব।

প্রশ্ন : আপনি তো প্রথমবার জার্মানি সফরে গেছেন, সেখানে লিগ খেলার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

মইনুল : ভালো, অনেক কিছু শিখেছি। অনেক অভিজ্ঞতা হলো। আমি আর সারোয়ার এক দলে ছিলাম। জার্মানির তৃতীয় বিভাগের লিগ সেটি। কিন্তু খেলার মান অনেক উন্নত। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য যেটি তা হলো, এখানে হকিটা অনেক বেশি ফিজিক্যাল। এখানকার খেলোয়াড়রা শারীরিক সক্ষমতার দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে, তাদের গতিও বেশি। ওদের সঙ্গে শুধু টেকনিকের ওপর খেলা যায় না, পাওয়ারটাও ব্যবহার করতে হয়। সেই হিসাবে এই লিগগুলো খেলে আমাদের মধ্যে কিছুটা হলেও কাঠিন্য বাড়বে, যেটা পরবর্তীতে আমাদের কাজে লাগবে মনে হয়।

প্রশ্ন : আপনারা যখন লিগ খেলেছেন তখন কোচ অলিভার কিভাবে সময় দিয়েছেন আপনাদের?

মইনুল : উনি সব সময়ই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। আমরা যেখানে খেলতে যেতাম, এর কাছাকাছিই উনি থাকেন। নিজে এসে কখনো আমাদের ম্যাচ দেখেছেন, আবার কখনো আমাদের কোচের কাছ থেকে ভিডিও নিয়ে গেছেন। পরে সেগুলো নিয়ে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

প্রশ্ন : অনুশীলন ম্যাচের সময় এখন তো পুরো কোচিং স্টাফই আপনারা পাচ্ছেন...

মইনুল : হ্যাঁ, এখানে অলিভার, পিটার আছেন। কিছুদিন আগে হারুন ভাই যোগ দিয়েছেন। উনিসহ অন্য খেলোয়াড়রা প্রথমে জার্মানি আসেন, সেখান থেকে একসঙ্গে আমরা পোল্যান্ড এসেছি। এখানেই আরো তিনটি ম্যাচ হবে। এরপর যাব অস্ট্রিয়ায়।


মন্তব্য