kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


এর নাম আগুনে লড়াই!

১৯ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



এর নাম আগুনে লড়াই!

লিভারপুল-ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ‘আগুনে লড়াই’ শেষ হয়েছে গোলশূন্য ড্রয়ের হতাশায়। হোসে মরিনহোর চেয়ে ইয়ুর্গেন ক্লপের আক্ষেপটাই বেশি।

বেশি বল পজেশন, বেশি সুযোগ তৈরি করেও ম্যাচটা তারা জিততে পারেনি। ম্যাচে ম্যানইউয়ের পাওয়া একমাত্র সুযোগটি পায়ে ঠেলেছেন জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। অন্যদিকে অলরেডদের গোলবঞ্চিত করেছেন দাভিদ দে গিয়া। প্রথমে এমরি চ্যান ও পরে ফিলিপে কৌতিনিয়োর অসাধারণ শট তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন।

ম্যাচ শেষে লিভারপুল কোচ ক্লপ মরিনহোকে দায়ী করেছেন তাঁর ‘অতি সতর্ক’ ফুটবলের জন্য। মরিনহো সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, ‘সমস্যাটা বরং লিভারপুলের’। রায় যেদিকেই যাক, ইংলিশ ফুটবলের সবচেয়ে সফল দুই দলের আকর্ষণীয় দ্বৈরথে আকর্ষণীয় ফুটবল হয়েছে সামান্যই। প্রথমার্ধে গোলের কোনো সুযোগই তৈরি হয়নি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গগবার ক্রসে মোক্ষম সুযোগটা পেয়ে গিয়েছিলেন ইব্রা। কিন্তু সামনে পোস্ট রেখে তিনি হেড নিয়েছেন আড়াআড়ি। পরের সময়টা আক্রমণের ঢেউ বইয়ে দেয় লিভারপুল। ৫৯ মিনিটে বক্সের ভেতর জটলা থেকে আচমকা বল পোস্টে ঠেলেছিলেন এমরি চ্যান। কিন্তু দে গিয়ার চোখ তিনি ফাঁকি দিতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে মরিনহো যেন পোস্ট বাঁচানোর কৌশল নিয়ে খেলছিলেন। তাতে তিনি সফল। পরিসংখ্যান বলছে পরশু এনফিল্ডে ম্যানইউয়ের বল পজেশন ছিল মাত্র ৩৫ শতাংশ। ২০০৩-এর পর প্রিমিয়ার লিগে রেড ডেভিলদের যা সর্বনিম্ন। কিন্তু ৬৫ শতাংশ পজেশন নিয়ে লিভারপুলের মাত্র দুটি সুযোগ তৈরি করাকে বরং তিনি দেখেছেন নেতিবাচকভাবে, ‘আমরা নই বরং ওরাই অতি সতর্ক হয়ে খেলেছে। মিডফিল্ডে এমরি চ্যান ও জর্ডান হেন্ডারসন ওদের পজিশন থেকে নড়েইনি একেবারে। ’ ক্লপ বলেছেন, ‘শুরু থেকেই ম্যানইউ খেলার গতি নষ্ট করেছে। ’ দুই দলের পয়েন্ট ভাগাভাগিতে শীর্ষে ওঠার সুযোগ হারিয়েছে লিভারপুল। ম্যানইউ ১৪ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে। গোল ডটকম


মন্তব্য