kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


চ্যাম্পিয়ন-রানার্স আপ মুখোমুখি ভিন্ন আবহে

১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



চ্যাম্পিয়ন-রানার্স আপ মুখোমুখি ভিন্ন আবহে

ক্রীড়া প্রতিবেদক : গত লিগের চ্যাম্পিয়ন-রানার্স আপ দল মুখোমুখি হচ্ছে আজ। তবে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃশ্যপট।

রানার্স আপ শেখ রাসেল মোটেও শিরোপা দৌড়ে নেই এ মুহূর্তে। শেখ জামাল সেই পথে থাকলেও এবার একটা ক্ষয়িষ্ণু দল নিয়ে তারা লড়ছে। আগের ম্যাচেই মোহামেডানের কাছে হেরে গেছে তারা।

লিগ টেবিলে শেখ রাসেলের বিস্ময়কর অবস্থান এ মুহূর্তে। ৫ পয়েন্ট নিয়ে ১২ দলের মধ্যে ১১তম। চট্টগ্রামে একেবারে প্রথম ম্যাচে বারিধারার কাছে হেরে সেই যে উল্টোযাত্রা শুরু তাদের, এখনো সেখান থেকে পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। ময়মনসিংহ পর্বে টিম বিজেএমসির সঙ্গে প্রথম ড্রয়ের পর দ্বিতীয় পয়েন্ট পায় তারা সিলেটে অষ্টম রাউন্ডে। পরের ম্যাচেই মোহামেডানের বিপক্ষে তাদের প্রথম জয়। তাতে মনে হয়েছিল দেশের অন্যতম সেরা ক্লাবটি এবার হয়তো ঘুরে দাঁড়াবে। কিন্তু ঢাকায় ফিরেই আরামবাগের কাছে হারে আবার তাদের ছন্দপতন। কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক ও তাঁর শিষ্যদের কাছে আজ জামালের বিপক্ষে লড়াই তাই নতুন চ্যালেঞ্জ হয়েই এসেছে। ‘সিলেটে আমরা বহু কাঙ্ক্ষিত জয়টি পেয়েছিলাম। কিন্তু এই পেয়ে যাওয়াই যে শেষ নয়, আমাদের যে এটা ধরেও রাখতে হবে আরামবাগের বিপক্ষে সেই পরীক্ষায় আমরা জিততে পারিনি। শেখ জামালের বিপক্ষে আজ তাই আবার নতুন উদ্যমে আমাদের মাঠে নামতে হবে। ’

জামাল দলবদলে শীর্ষ আট খেলোয়াড়কে ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। ভঙ্গুর দলটি মৌসুমের শুরুতে এএফসি কাপে নিজেদের তুলেই ধরতে পারেনি। ফেডারেশন কাপের শিরোপা হারিয়েছে, স্বাধীনতা কাপের ফাইনালে উঠতে পারেনি। তবে লিগে তারা ঘুরে দাঁঁড়ায়। দশম রাউন্ডের আগ পর্যন্ত যৌথভাবে তারা শীর্ষেই ছিল। কিন্তু এই রাউন্ডেই মোহামেডানের কাছে হার তাদের আবার ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে। আজ তারা সেই প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হচ্ছে যারা আবার লিগের একমাত্র জয়টিই পেয়েছে মোহামেডানের বিপক্ষে। শেখ রাসেলের এই বিপর্যয়ের মধ্যেও শেখ জামালের বিপক্ষে আজ তাদের কিছু পাওয়ার নেই—এমনটি তাই বলা যাবে না। সতর্ক থাকতে হবে তাই জামালের।

জামালের বড় শক্তি তাদের বিদেশি ত্রয়ী—ল্যান্ডিং, এমেকা ও ওয়েডসন। দলের যেকোনো অবস্থায় তাঁদের ফর্ম ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে। রাসেলের আবার এখানটাতেই ঘাটতি। কোটার তিন বিদেশিকে তারা মাঠেই নামাতে পারছে না। আগের ম্যাচে চোট পাওয়া পল এমিল আজ খেলতে পারলেও দ্বিতীয় বিদেশি শুধু ইকাঙ্গা। ফরোয়ার্ডে সেই সাখাওয়াত রনি, জাহিদ হাসানরাই ভরসা। যাঁরা ঠিক ফর্মে নেই। জাতীয় দলের ব্যর্থতার ধাক্কা কাটিয়ে উঠতেও তাঁদের লড়তে হচ্ছে। দ্বিতীয় লেগের আগে এই শেষ ম্যাচটা মানিক ভালোভাবে উতরাতে পারলে মধ্যবর্তী দলবদলে তিনি সুযোগ পাবেন দলটাকে আবার ঢেলে সাজানোর।


মন্তব্য