kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


তবু নিশ্চিত নন ডাকেট

১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



তবু নিশ্চিত নন ডাকেট

ক্রীড়া প্রতিবেদক : সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছেন সেই ২০১৪ সালে। তবে ইংল্যান্ড-বাংলাদেশ ওয়ানডে সিরিজের পুরোটা সময়জুড়েই এখানে ছিলেন অ্যালিস্টার কুক।

অনাগত সন্তান জন্মের সময় টেস্ট সিরিজ শুরুর ঠিক আগে আগে। ওই সময়ে স্ত্রীর পাশে থাকবে হবে। তাই আগেভাগে বাংলাদেশে এসে নিজের অনুশীলনটা চালিয়ে গেছেন ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক।

 

সপ্তাহখানেক বাংলাদেশে কাটিয়ে ১০ অক্টোবর দেশে ফিরে যান কুক। সন্তানের মুখ দেখে কাল আবার ফিরেছেন। দলের সঙ্গে যোগ দেন চট্টগ্রামে। তবে আগামী পরশু শুরু হওয়া টেস্টে তাঁর ওপেনিং সঙ্গী কে হবেন, এ নিয়ে কিছুটা হলেও নিশ্চয়ই মধুর দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কুক।

নিরাপত্তাহীনতার অজুহাতে অ্যালেক্স হেলস আসেননি। কুকের ওপেনার হওয়ার দৌড় তাই দুই তরুণ—বেন ডাকেট ও হাসিব হামিদের ভেতর। পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নিজেদের দাবিটা জানিয়ে রেখেছেন দুজনই। ৪৬টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ডাকেটের রান ৩১০৩; গড় ৪৪.৩২। ১০ সেঞ্চুরির মধ্যে সর্বোচ্চ অপরাজিত ২৮২। কালই ২২তম জন্মদিন পালন করা এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান বিসিবি একাদশের বিপক্ষে দুই প্রস্তুতি ম্যাচে খেলেন ৫৯ ও ৬০ রানের ইনিংস। বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া ডাকেট তিন ম্যাচে খেলেন দুটি পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস। টেস্টে কুকের সঙ্গী হওয়ায় তাঁর দাবিটাই জোরালো।

অন্যদিকে হাসিব হামিদের এখনো হয়নি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক। বয়সও মোটে ১৯ বছর। কিন্তু এরই মধ্যে ২০টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে চার সেঞ্চুরিতে ৪৮.৫০ গড়ে ১৪৫৫ রান করে নিজের প্রতিভার জানান দিয়েছেন। টেস্টে অধিনায়কের ওপেনিং সঙ্গী হওয়ার লড়াই এ দুজনের মধ্যে থাকলেও ব্যাপারটিকে প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখতে নারাজ ডাকেট, ‘শেষ পর্যন্ত আমরা তো সতীর্থই। সে কারণে এটিকে ঠিক প্রতিযোগিতা বলা যাবে না। দুজনের মধ্যে যে-ই খেলি না কেন, সেটি তার প্রাপ্য। হামিদ লম্বা সময় ধরে ব্যাটিং করতে পারে, আজকের মতো। আমাদের খেলার ধরন একেবারে আলাদা, দুজন ভিন্ন ভিন্ন ক্রিকেটার। এখন দেখা যাক, টিম ম্যানেজমেন্ট কাকে বেছে নেয়। ’

বেশ কিছু দিন ধরে দুর্দান্ত সময় কাটছে ইংল্যান্ডের। এই দলের একাদশে ঢোকা যে বড্ড কঠিন, তা মেনে নেন ডাকেট, ‘ইংল্যান্ডের একাদশে সুযোগ পাওয়া খুব কঠিন। বিশেষত এখন যেসব ক্রিকেটার খেলছেন, তাঁদের সরিয়ে। গত এক-দুই বছর ধরে সব ফরম্যাটেই তাঁরা দুর্দান্ত পারফর্ম করছেন। এ কারণেই একাদশে সুযোগ পাওয়া আমার জন্য বেশ কঠিন। তবে সে সুযোগ যদি পাই, আশা করি আমি প্রস্তুত থাকব। ’ কাল শেষ হওয়া প্রস্তুতি ম্যাচে ডাকেট-হামিদ দুজনই করেন ফিফটি। তাঁদের ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৯০ রান। তার পরও স্পিনটা সেভাবে খেলা হয়নি। টেস্টের আগের অনুশীলনে এ জায়গাতেই মূল মনোযোগ দেওয়ার কথা কাল ম্যাচ শেষে জানান ডাকেট, ‘আজ তো স্পিনের বিপক্ষে খুব একটা খেলার সুযোগ হয়নি। আগামী কয়েক দিনের অনুশীলনে এ ধরনের বোলিংয়ের বিপক্ষে যতটা সম্ভব নিজেকে ঝালিয়ে নেব। কারণ জানি যে, মূল খেলায় স্পিনারদের মুখোমুখি হতে হবে বেশি। আমি সব সময় স্পিন খেলার চেষ্টা করি ইতিবাচকভাবে। চেষ্টা করি নিজের মতো ব্যাটিং করে স্পিনারদের চাপে ফেলে দেওয়ার। ’

তার আগে অবশ্য টেস্ট একাদশে সুযোগ পেতে হবে ডাকেটকে।


মন্তব্য