kalerkantho


মুখোমুখি ক্লপ-মরিনহো

১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



এই দুই দল নিজেদের মধ্যে ভাগ করেছে ৩৮টি লিগ শিরোপা। ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ফুটবল আসরের শীর্ষ লিগের সর্বোচ্চ শিরোপাজয়ী দুটি দল; ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুল আজ যখন মুখোমুখি হবে, তার ২৪ ঘণ্টা পর চ্যাম্পিয়নস লিগের খেলায় মাঠে নামবে প্রিমিয়ার লিগের অন্য দুটি দল।

মানেটা স্পষ্ট, ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে ‘রেড ডেভিল’ বা ‘অলরেড’ কেউই নেই। লিগের গোড়াতেই শীর্ষে থাকা নগর প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে সাতে থাকা ম্যানইউর ব্যবধান হয়ে গেছে ৬, চারে থাকা লিভারপুল অবশ্য আজ জিতলে ধরে ফেলবে লিগ লিডারদের। তবে এত সব অঙ্ক ছাপিয়ে ম্যাচের কেন্দ্রবিন্দুতে দুজন রক্তমাংসের মানুষ। হোসে মরিনহো ও ইয়ুর্গেন ক্লপ। আর পেছনে বছর তিনেক আগের একটি রাত।

রবার্ট লেভানদোস্কি যেদিন লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদকে (চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনাল, ২০১৩), সেদিন হেরে যাওয়া দলের কোচ ছিলেন মরিনহো আর জয়ী দলের কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ। অতটা একপেশেভাবে রিয়ালকে হারতে অনেক দিন দেখা যায়নি। সেই দুই যুযুধান যখন ইংল্যান্ডের সফলতম দুটি ক্লাবের কোচের চেয়ারে, তখন উত্তেজনা তো চড়বেই! চলতি বছর মার্চে অবশ্য দুইবার মুখোমুখি হয়েছিল দুই ‘রেড’, সেটা ইউরোপা লিগের শেষ ষোলোতে। অ্যাগ্রিগেটে জিতেছিল লিভারপুলই, যদিও মরিনহো তখন ছিলেন না ম্যানইউর দায়িত্বে।

চেলসির কোচ হিসেবে অ্যানফিল্ড ভ্রমণের বেশ কিছু স্মৃতি আছে তাঁর, ম্যাচের আগে বললেন সেটাই, ‘আমি এই ভেন্যুতে খেলাটা ভালোবাসি। এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ জিতেছিও, হেরেছিও। ম্যানইউর কোচ হিসেবে এখন দায়িত্বটা আরো বড়। এই ম্যাচের তুলনা করা যায় মিলান ডার্বি বা এল ক্লাসিকোর সঙ্গে। ’ একই আবেগ ক্লপের কণ্ঠেও, ‘পরিবেশটা হবে দারুণ, ফুটবলের কথা ভাবলে এরকম একটা ম্যাচের কথাই তো মাথায় আসে। আমরা ম্যানইউকে নিয়ে খুব বেশি ভাবছি না। দুটি দলের মধ্যে খুব বেশি ফারাক নেই। খেলায় শুরুতেই ফল নির্ধারিত হয়ে যাবে, এমনটা কেউই ভাবছে না। ’ গোল, বিবিসি


মন্তব্য