kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ফিফার ভবিষ্যৎ দর্শন

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



ফিফা ২.০, এভাবেই নিজেদের ব্র্যান্ডিং করতে চাইছে জিয়ানি ইনফান্তিনোর নেতৃত্বাধীন ফিফার নতুন কমিটি। সেপ ব্ল্যাটার, মিশেল প্লাতিনিসহ দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়মের অতীতকে আর টানতে চাইছে না বর্তমান নেতৃত্ব।

জুরিখে দুই দিন ধরে হয়ে যাওয়া ফিফা কাউন্সিল শেষে সংগঠনের ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়ার মানচিত্র ‘ফিফা ২.০, ভবিষ্যতের দর্শন’ নিয়ে একমত সবাই। সংগঠনে আরো স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা ও কাজে গতিশীলতা নিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ফুটবলের আরো বিস্তারও গুরুত্ব পেয়েছে এ রূপরেখায়।

ফিফার সঙ্গে ব্যালন ডি’অরের গাঁটছড়া ভেঙে গেলেও ফুটবলসংক্রান্ত পুরস্কার দেওয়ার ধারা থেকে সরে আসবে না ফিফা, ৯ জানুয়ারি জুরিখে দেওয়া হবে ফিফা ফুটবল পুরস্কার। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ফিফার পরবর্তী কাউন্সিল বৈঠকেই নির্ধারিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের রূপরেখা। ইনফান্তিনো আগেও জানিয়েছিলেন বিশ্বকাপে দল বাড়ানোর কথা, কাউন্সিলের সাধারণ মত প্রেসিডেন্টেরই অনুগামী। কাউন্সিলের বৈঠকেই ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘কোনো একটা দেশ যখন বিশ্বকাপে খেলে, তখন বিশ্বকাপকে ঘিরে সে দেশের ফুটবলে উন্মাদনা তৈরি হয়। অনেক তরুণ ফুটবল খেলে, অনেক প্রতিষ্ঠান পৃষ্ঠপোষক হতে আগ্রহী হয়, এতে ফুটবলের গুরুত্ব বাড়ে। ’ ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে সহ-আয়োজকের নিয়ম থাকছে, এটাও পাস হয়েছে কাউন্সিলে। তাতেই জোরালো হচ্ছে দল বাড়ার সম্ভাবনাও, কারণ ৪৮ দলকে জায়গা দেওয়াটা তো মুখের কথা নয়। প্রচলিত ৩২ দলের বিশ্বকাপের বাইরে সম্ভাব্য আরো তিন রকম ছকের কথা ভাবা হচ্ছে—

১. পাঁচ দলের আটটি গ্রুপ করে মোট ৪০ দলের অংশগ্রহণ।

২. চার দলের ১০টি গ্রুপ করে ৪০ দল।

৩. বাছাই করা ১৬ দলের সঙ্গে প্লে-অফের মাধ্যমে আসা ৩২ দল নিয়ে মোট ৪৮ দলের বিশ্বকাপ।

তৃতীয়টির পক্ষে জোরালো মত ইনফান্তিনোরই, ‘৪৮ দলের বিশ্বকাপ হলে খেলার মান আরো বাড়বে, কারণ তখন ৩২ দলের মধ্যে প্লে-অফ হবে। এতে মান বাড়বে, কমবে না। ’ যদিও এতে আপত্তিই আসছে অনেক পক্ষ থেকে। সব কিছু বিচার-বিবেচনার পর জানুয়ারিতেই নিশ্চিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ছক, একই বৈঠক থেকে শুরু হয়ে যাবে ২০২৮ বিশ্বকাপের স্বাগতিক নির্বাচনের প্রক্রিয়াও। রাশিয়া ও কাতার—ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশ থেকে পর পর দুটি আসরের আয়োজক, তাই এই দুই কনফেডারেশন থেকে জানানো যাবে না স্বাগতিক হওয়ার আবেদন—এমন সিদ্ধান্তও এসেছে সভায়। আর ফিফা ২.০ রূপকল্পে আভাস দেওয়া হয়েছে, ২০২৬ বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর আগেই পৃথিবীর জনসংখ্যার ৬০ শতাংশকে ফুটবলের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার আকাঙ্ক্ষা এবং মেয়েদের ফুটবলে অংশগ্রহণ দ্বিগুণ করার বিষয়ও। ফিফা


মন্তব্য