kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মুখোমুখি প্রতিদিন

ভিসা পেলে আমরা সোমবার জার্মানি যাব

হকি দলকে জার্মানিতে পাঠিয়ে ক্যাম্প করানোর ঘোষণা ছিল আগেই। কথা ছিল এ মাসের শুরু থেকেই। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তারা জার্মানি যেতে পারেনি। বিশাল কোচিং স্টাফ জার্মানিতে থাকলেও দেশে অনুশীলন ক্যাম্প করিয়েছেন কোচ মাহবুব হারুন। দলের অবস্থা এবং জার্মান যাত্রা নিয়ে এই দেশি কোচ মুখোমুখি হয়েছেন কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



ভিসা পেলে আমরা সোমবার জার্মানি যাব

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : ১৩ অক্টোবরের মধ্যে জার্মানিতে গিয়ে পুরো দল নিয়ে আপনাদের প্র্যাকটিসে নেমে পড়ার কথা।

মাহবুব হারুন : সেটা একটু পিছিয়ে গেছে ভিসার জন্য।

রবিবার ভিসা হলে ১০ জন হকি খেলোয়াড় নিয়ে আমরা জার্মানি রওনা হব। তাদের সঙ্গে আমি এবং এহসান রানা ও আরিফুল হক প্রিন্স যাব। যাওয়া নির্ভর করছে ভিসা পাওয়ার ওপর, পেলে সোমবার রওনা দেব। নইলে ওখানে যে ৯ জন আছে তাদেরও ঢাকায় ফিরে আসতে হবে।

প্রশ্ন : আপনি তো ৩৫ জনকে ডেকেছিলেন প্রাথমিক ক্যাম্পে, সেখান থেকেই কি ১০ জন বাছাই করেছেন?

হারুন : ৩৫ জনের ৯ জন আগেই জার্মানিতে চলে গিয়েছিলেন। আমি এবং পিটার গেরহার্ড মিলে ২৫ জনকে নিয়ে প্র্যাকটিস শুরু করেছিলাম। খেলোয়াড়দের অবস্থা ভালো, কারণ তারা খেলার মধ্যে আছে। ১০ দিন ক্যাম্প করে ১০ জনকে নেওয়া হয়েছে তবে ছয়জনকে স্ট্যান্ড বাই রাখা হয়েছে। তবে এখনো এএইচএফ কাপের জন্য দল ঘোষণা করা হয়নি।

প্রশ্ন : তাহলে স্ট্যান্ডবাই ছয়জনকে কেন ঢাকায় রেখে বাকিদের জার্মানি নিয়ে যাচ্ছেন?

হারুন : এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না। এর ভালো ব্যাখ্যা মুনির ভাই (শফিউল্লাহ আল মুনির) দিতে পারবেন।

প্রশ্ন : এটা কেমন ধরনের ক্যাম্প—এক দল বিদেশে, আরেক দল দেশে ট্রেনিং করছে?

হারুন : কিছু তো করার নেই। ওখানে এক দল খেলোয়াড় তো আগেই চলে গেছে, তারা জার্মান কোচ অলিভারের অধীনে প্র্যাকটিস করছে এবং ক্লাবের হয়ে ম্যাচ খেলছে। তারা দেশে থাকলে এখানেই ৩৫ জনের ক্যাম্প চলত। তা ছাড়া জার্মানিতে যাওয়ার আরেকটি কারণ হলো কয়েকটি প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলা। ওখানে অনেক প্র্যাকটিস ম্যাচের পরিকল্পনা করা হলেও আপাতত পোলান্ড ও অস্ট্রিয়ার সঙ্গে দুটি ম্যাচ খেলব আমরা। কারণ আমাদের ৩১ অক্টোবর ঢাকায় ফিরতে হবে।

প্রশ্ন : কিন্তু হংকংয়ে এএইচএফ কাপ তো আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে।

হারুন : এই টুর্নামেন্টে আমরা সাধারণত চ্যাম্পিয়ন হই। কিন্তু আমাদের মূল টার্গেট হলো আগামী বছর মার্চে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড হকি লিগের দ্বিতীয় রাউন্ড। এটা অনেক কঠিন টুর্নামেন্ট, কখনো আমরা দ্বিতীয় রাউন্ড টপকাতে পারিনি। দেশের মাঠে যেহেতু খেলা তাই আমরা চেষ্টা করব এবার অন্তত সফল হতে। সুবিধা হলো, আমাদের খেলোয়াড়দের অবস্থা ভালো। ওয়ার্ল্ড হকি লিগের আগে জার্মানি কোচিং স্টাফকে ঢাকা রেখে ট্রেনিং এবং প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলানো গেলে অবশ্যই আমরা ভালো করব।


মন্তব্য