kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আজহার আলীর ট্রিপল

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



আজহার আলীর ট্রিপল

ডাবল সেঞ্চুরির পর দিলেন ১০টি বুকডন। এরপর স্যালুট।

ইংল্যান্ডে মিসবাহ-উল হক উদ্‌যাপনের যে রীতিটা চালু করে এসেছিলেন তারই অনুসরণ আজহার আলীর। ডাবল সেঞ্চুরির পর ছাড়িয়ে গেলেন গত বছর বাংলাদেশের বিপক্ষে করা ক্যারিয়ার সেরা ২২৬ রানের ইনিংস। ডিনারের আগে ২৫০। পেছনে ফেললেন জাভেদ মিয়াঁদাদের ২৮০ রানও। এর পরই ইতিহাস। চতুর্থ পাকিস্তানি হিসেবে আজহার আলী পেলেন টেস্টে ট্রিপল সেঞ্চুরির স্বাদ। জার্মেই ব্ল্যাকউডের বল সীমানাছাড়া করে পা রেখেছেন সেই মাইলফলকে। মিসবাহকে জড়িয়ে আর সিজদা দিয়ে উদ্‌যাপন করেন উপলক্ষটা। এর পরই ৪০০তম টেস্টের প্রথম ইনিংস ৩ উইকেটে ৫৭৯ রানে ঘোষণা করে দেন মিসবাহ। আজহার ৪৬৯ বলে ২৩ বাউন্ডারি ২ ছক্কায় অপরাজিত ছিলেন ৩০২ রানে। মিসবাহ-উল হক অপরাজিত ছিলেন ২৯ রানে। এ ছাড়া আসাদ সফিক ৬৭ ও টেস্ট অভিষিক্ত বাবর আজম করেছিলেন ৬৯। দেবেন্দ্র বিশু নেন ২ উইকেট।

পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে আজহারের আগে তিন অঙ্কের কীর্তি ছিল হানিফ মোহাম্মদ (৩৩৭), ইনজামাম-উল হক (৩২৯) আর ইউনিস খানের (৩১৩)। জাভেদ মিয়াঁদাদ ছয়টি ডাবল করেও ছুঁতে পারেননি সেই মাইলফলক। অথচ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবলটাই তিন অঙ্কে পরিণত করলেন পাকিস্তানের ওয়ানডে অধিনায়ক। গোলাপি বলের টেস্টে প্রথম সেঞ্চুরিটা প্রথম দিনেই করেছিলেন আজহার। দিবারাত্রির টেস্টে প্রথম ডাবল আর ট্রিপলের রেকর্ডও এখন তাঁর।

দুবাইয়ে ৫০তম টেস্ট খেলছেন পাকিস্তানের ওয়ানডে অধিনায়ক আজহার আলী। ৫০তম টেস্টে তাঁর সেঞ্চুরি ১১টি। পাকিস্তানের হয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ৫০ টেস্টে তাঁর চেয়ে কেবল একটি বেশি সেঞ্চুরি হানিফ মোহাম্মদ ও ইউনিস খানের। সমান ১১টি সেঞ্চুরি মোহাম্মদ ইউসুফের। এই কিংবদন্তিদের পাশে নাম লেখানোটা গতকাল স্মরণীয় করলেন ট্রিপল সেঞ্চুরিতে। ক্রিকইনফো

সংক্ষিপ্ত স্কোর

পাকিস্তান : ১৫৫.৩ ওভারে ৫৭৯/৩ (আজহার ৩০২*, সামি ৯০, আসাদ ৬৭, বাবর ৬৯; বিশু ২/১২৫, চেস ১/১০৯)।


মন্তব্য