kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কাল থেকে শুরু আইএইচএফ ট্রফি হ্যান্ডবল

৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



কাল থেকে শুরু আইএইচএফ ট্রফি হ্যান্ডবল

ক্রীড়া প্রতিবেদক : হ্যান্ডবলে ঘরোয়া আসর যত নিয়মিত ততটাই অনিয়মিত আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মাত্র চারটি আন্তর্জাতিক আসর হয়েছে।

পঞ্চম আসর আইএইচএফ (ইন্টারন্যাশনাল হ্যান্ডবল ফেডারেশন) ট্রফি শুরু হচ্ছে কাল থেকেই। ৭ দেশের এ টুর্নামেন্ট অনেকটাই দক্ষিণ এশীয় চ্যাম্পিয়নশিপের চেহারা নিয়েছে, সবগুলো দলই এই অঞ্চলের হওয়ায়। আর দক্ষিণ এশিয়ার হ্যান্ডবলে ভারত একচেটিয়া ফেভারিট, বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার জন্য লড়াই হয় পাকিস্তানের সঙ্গে। ঘরের মাঠের আসরেও এবার ফাইনালই লক্ষ্য বাংলাদেশের ছেলে ও মেয়েদের দলের। যদিও প্রস্তুতি মাত্র ১৪ দিনের।

মেয়েরা এ আসরে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নামছে। ২০১৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে পাকিস্তানকে হারিয়ে তারা শিরোপা জিতেছিল। সে আসরে অবশ্য খেলেনি ভারত। এবার ভারত থাকায় স্বাভাবিকভাবেই শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যের কথা বলতে পারছে না মেয়েরা। আইএইচএফ ট্রফি অবশ্য মূল জাতীয় দলের আসর নয়, ছেলেদের বিভাগে খেলে অনূর্ধ্ব-২১ দল, মেয়েরা অংশ নেয় অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে। গত এসএ গেমসে মেয়েদের সিনিয়র জাতীয় দল পাকিস্তানকে হারিয়েই ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে খেলেছিল। ছেলেরা তা পারেনি। তৃতীয় হয়েছে পাকিস্তানের কাছে হেরে। এবারের আসরে ছেলেদের চ্যালেঞ্জটাই তাই বেশি। আইএইচএফ ট্রফি হচ্ছে ২০১০ সাল থেকে। এ পর্যন্ত তিনটি আসর হয়েছে, তিনবারই তৃতীয় হয়েছে বাংলাদেশের ছেলেরা। মেয়েরা খেলছে ২০১৪ সালে দ্বিতীয় আসর থেকে। প্রথমবার চতুর্থ হয়ে পরেরবারই শিরোপা উৎসবে ভাসিয়েছে তারা বাংলাদেশকে। এবার ভারত থাকায় শিরোপা না হলেও ফাইনালের লক্ষ্য পূরণ হলেও এক হিসাবে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারবে তারা। অধিনায়ক রুবিনা বেগম আত্মবিশ্বাসীও সে ব্যাপারে, ‘গতবারও আমরা ফাইনালে খেলেছি। এবারও খেলব। সেই সামর্থ্য আছে আমাদের। ’ কিন্তু প্রস্তুতির ঘাটতিই সংশয় তৈরি করে দিচ্ছে।

টুর্নামেন্টের মান বিচারে ১৪ দিনের প্রস্তুতি যে মোটেও যথেষ্ট নয়। ছেলেরা কোনোবারই ফাইনালে খেলতে পারেনি। এবার দুই সপ্তাহের প্রস্তুতি নিয়ে তারা কি পারবে? খেলোয়াড়দের সামর্থ্যের ওপর আস্থা রেখে কোচ কামরুল ইসলাম সেই চ্যালেঞ্জটা নিচ্ছেন, ‘প্রস্তুতি যথেষ্ট ছিল না মানি। কিন্তু নিজেদের মাঠে টুর্নামেন্ট বলে মনোবলের দিক থেকে অন্তত আমরা এগিয়ে থাকব। আর খেলোয়াড়দের যে সামর্থ্য তাতে ওরা সেরাটা দিতে পারলে ফাইনাল খেলাটা অসম্ভব নয়। ’ গতকালই শ্রীলঙ্কা ঢাকায় পৌঁছে গেছে, রাতে পৌঁছার কথা ভুটান ও পাকিস্তানের। আজ আসবে ভারত, আফগানিস্তান ও মালদ্বীপ। খেলা হবে দুটি ভেন্যুতে। পন্টন হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামের পাশাপাশি ম্যাট বসানো হয়েছে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামেও। আগের চারটি আন্তর্জাতিক আসরের মধ্যে ১৯৯৫ সালে কমনওয়েলথ হ্যান্ডবল এবং ২০০০ সালে দক্ষিণ এশীয় চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্স-আপ হওয়ার স্মৃতি আছে বাংলাদেশের। সেই স্মৃতি এবার প্রেরণা হবে?


মন্তব্য